স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৪ এপ্রিল : নিজেকে এবং নিজের দলকে ধোয়া তুলসী পাতা প্রমাণ করতে এবার বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে সরব হলেন তিপরা মথা প্রার্থী হংস কুমার ত্রিপুরা। কিন্তু জাতির নামে যারা পাঁচ বছর মানুষকে বিভাজন করেছে, তারা কারা এবং তারা কোন রাজনৈতিক দলের সেটা ভালো করেই জানে আম জনগণ। কিন্তু ভোট আসতে জাতি এবং সম্প্রদায় নিয়ে নিজেদের ধোয়া তুলসী পাতা প্রমাণ করতে চাইছে কিছু রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী।
শনিবার তিপরা মথা প্রার্থী হংস কুমার ত্রিপুরা বলেন, আসন্ন এডিসি নির্বাচনকে সামনে রেখে ৫ নং ছামনু আসনের তিপ্রা মথা পার্টির প্রার্থী হংস কুমার ত্রিপুরা এবার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয় নিয়ে সরব হলেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি সাম্প্রদায়িকতার ইস্যুকে সামনে রেখে বিভাজনের রাজনীতি করছে, যার ফলে এলাকায় মানুষের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি এক বৈঠক শেষে তিনি বলেন, ভোটে জয়ের পর ওই এলাকায় যে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে তিনি বিশেষ উদ্যোগ নেবেন।
তার মতে, রাজনীতি কখনোই মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার মাধ্যম হওয়া উচিত নয়, বরং সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখাই হওয়া উচিত প্রধান লক্ষ্য। হংস কুমার ত্রিপুরা আরও জানান, বিজেপি রাজনৈতিক ময়দান থেকে ধর্মীয় স্লোগান তোলে সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। তিনি নির্বাচিত হলে এলাকায় শান্তি, সম্প্রীতি ও সমানাধিকারের পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করবেন। তার এই বার্তা নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। তবে ভোট ময়দানে এ ধরনের বিতর্কিত বিষয় ভোটারদের উপর প্রভাব ফেলবে সেটা রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন সৃষ্টি করেছে

