Monday, March 9, 2026
বাড়িরাজ্যটিটিএএডিসি এবং উপনির্বাচনের জন্য অগ্রিম প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে চমক দিল বামফ্রন্ট

টিটিএএডিসি এবং উপনির্বাচনের জন্য অগ্রিম প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে চমক দিল বামফ্রন্ট

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা।  ৯ মার্চ:  টিটিএএডিসি নির্বাচন এবং ধর্মনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন ঘোষণা না হলেও অগ্রিম প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে চমক দিল রাজ্যের অন্যতম প্রধান বিরোধীদল বামফ্রন্ট। সোমবার সিপিআইএম রাজ্য কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছেন বামফ্রন্টের আহ্বায়ক মানিক দে। টিটিএএডিসির ২৮ টি আসনের মধ্যে কুড়িটি আসনেই নতুন মুখ নিয়ে এসেছে বামফন্টের। সাতজন পুরনো প্রার্থী এবং একটি আসনে প্রার্থীর নাম পরবর্তী সময়ে ঘোষণা করা হবে। অপরদিকে ধর্মনগর বিধানসভার কেন্দ্রের উপনির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে প্রাক্তন বিধায়ক অমিতাভ দত্তের নাম ঘোষণা করেছেন।

 বামফ্রন্টের আহ্বায়ক মানিক দে বলেন, বহু বিবেচনা করে দল প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করছে। প্রার্থী তালিকা তৈরি করতে অভিজ্ঞতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, তারুণ্য বিচার করা হয়েছে। তিনি জানান ভারতীয় জনতা পার্টি এবং তিপরা মথা মিলে যেভাবে লুট করছে তাতে কর্মচারীদের এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের বেতন দিতে পারছে না এবং ভারতীয় জনতা পার্টি ও মথার মধ্যে যে মহড়া মাঝে মাঝে দেখা যায় সেটা লোক দেখানো ছাড়া আর কিছু নয় বলে জানান তিনি। রাজ্য কমিটির সম্পাদক তথা বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেন রাজ্যে স্বৈরাচারী শাসন চলছে। যার কারণে শাসক দলকে প্রলোভন দেখাতে হয়। কিন্তু বামফ্রন্টের প্রলোভনের প্রয়োজন হয় না।

 প্রত্যেক ঘরে ঘরে যাচ্ছে বামফ্রন্ট। রাজ্যে আদিবাসীদের অস্তিত্ব এবং সংস্কৃতি যেন বিলুপ্ত হয়ে না যায় তার জন্য এডিসি তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু ২০২১ সালে গ্রেটার তিপরাল্যান্ডের কথা বলে একটা রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠিত হয়ে গত পাঁচ বছরে এইডিসিতে দুর্নীতি এবং অনিয়মের মৃগয়া ক্ষেত্র তৈরি করেছে। আর এই অভিযোগ বামফ্রন্টের নয়, রাজ্যের মধ্যে সবার সদস্যদের দৈনন্দিন চর্চা। বিজেপি এবং তিপ্রা মথাকে নিশানা করে তিনি আরো অভিযোগ তুলে বলেন লুটের ভাগ নিয়ে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ করে রক্ত ঝড়াচ্ছে দুই দল। কিন্তু তাদের উপর তলায় মিল রয়েছে বলে দাবি করেন বিরোধী দলনেতা। আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিপিআই রাজ্য সম্পাদক মিলন বৈদ্য, আর.এস.পি রাজ্য সম্পাদক দীপক দেব।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য