স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৮ জানুয়ারি :ত্রিপুরা রাজ্যের অন্যতম বনেদি স্কুল বোধজং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। রবিবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বোধজং স্কুল অ্যালামনির ১৯ তম পুনর্মিলন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্যন্দন পত্রিকা ও স্যন্দন টিভির সম্পাদক তথা বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সুবল কুমার দে। তিনি অনুষ্ঠানের বক্তব্য রেখে বলেন, বোধজং স্কুল কোন অংশে পিছিয়ে নেই। এই বিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করে বহু ছাত্র আজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশ-বিদেশে সুনামের সঙ্গে ত্রিপুরার নাম উজ্জ্বল করছেন তারা।
১৯৬৩ সালে তিনি বিদ্যালয়ে এসে ভর্তি হয়েছিলেন। তৎকালীন সময়ে সিদ্ধার্থ নামে একজন ছাত্র বিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছিলেন। তখন এই বোধজং স্কুলের সুনাম গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। আরো বলেন, মাতৃত্বের প্রতি যে স্নেহটা সেটা আজও ওনার মধ্যে রয়েছে। দেশ-বিদেশ বিভিন্ন জায়গায় তিনি গিয়েছেন। কিন্তু আগরতলার জন্য একটা আত্মার টান রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, মানুষ যেদিন বুড়ো হয় সেদিন তাকে ভগবান নিয়ে যায়। তাই দৈহিকভাবে বয়সের ভারে বুড়ো হলেও মনকে যৌবন করে রাখতে পারলেই জীবন সচল। তাই মনকে সকলে যাতে সচল রাখে সেই আহ্বান করেন তিনি। স্যন্দন সম্পাদক আরো বলেন তিনি জীবনে সংবাদ মাধ্যমে সঙ্গে জড়িত হওয়ার আগে মুক্তিযুদ্ধ সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন। আজকের দিনেও তিনি বিভিন্ন ভাবে ব্যস্ততার কারণে অবসাদে ভুগেন না। পাশাপাশি বলেন, আগরতলা প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। সার্বিক ক্ষেত্রে এই কাজগুলি বিদ্যালয়ের জন্য বলে মনে করেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষে মেধাবী ছাত্রদের স্কলারশিপ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি দুঃস্থ ছাত্রদের মধ্যে পড়াশোনার সরঞ্জাম তুলে দেওয়া হয়।

