স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৫ জানুয়ারি : শচীন্দ্রনগর স্বদেশ দর্শন ২.০ -এর আওতায় পর্যটন দপ্তরের উদ্যোগে “ত্রিপুরা ঐতিহ্যবাহী গ্রাম ও সঙ্গীত অভিজ্ঞতা উন্নয়ন” -এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং পর্যটন দপ্তরের উদ্যোগে কলকাতার নিকো পার্কের আদলে অত্যাধুনিক বিনোদন পার্ক ও ইকো ট্যুরিজম পার্ক স্থাপনের ভূমি পূজা ও শিলান্যাস হয়। মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা অত্যাধুনিক বিনোদন পার্ক ও ইকো ট্যুরিজম পার্ক স্থাপনের ভূমি পূজা ও শিলান্যাস করেন। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রেখে বলেন, অত্যাধুনিক বিনোদন পার্ক রাজ্যের গড়ে উঠলে ত্রিপুরায় পর্যটকদের ভিড় বাড়বে। একই সঙ্গে ত্রিপুরায় কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে ছেলেমেয়েদের জন্য।
সেই লক্ষ্য নিয়ে পর্যটনের বিকাশ করতে কাজ করছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, পর্যটকরা যখন ত্রিপুরায় আসবে তখন ত্রিপুরার সঙ্গে অন্য রাজ্যের এবং দেশ-বিদেশের আত্মিক সম্পর্ক গড়ে উঠবে। তাই সরকার ত্রিপুরায় পর্যটনের বিকাশ করতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন বনদোয়ারে স্বর্গ দুয়ার হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা ও কৃষি সহ চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। সব দিক দিয়ে ত্রিপুরা সহ সমস্ত রাজ্য শ্রেষ্ঠ না হলে আগামী দিন ভারত শ্রেষ্ঠ হবে না। কমিউনিস্ট সরকারের সমালোচনা করে বলেন, গতানুগতিক প্রথায় চলছিল তৎকালীন সরকার। জল নেই, কাজ নেই, দিল্লি দেয় না বলে শুধুমাত্র আন্দোলন করে ছিল। যা বর্তমানেও চলছে।
কিন্তু বর্তমান সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাবকা সাথ, সাবকা বিকাশের দিশা নিয়ে এগোচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, কমিউনিস্ট সরকার মানুষের মধ্যে বিভেদ করে রাজনীতি করতো। ত্রিপুরায় খালি অশান্তির সৃষ্টি করে রাখার চেষ্টা করেছে। তারা জানে শুধু খুন আর সন্ত্রাস। আর নেতাদের সুখে রাখত। জনগণকে দাবিয়ে রাখত তারা। বর্তমান সরকার সবার শ্রীবৃদ্ধি করতে কাজ করছে। পাশাপাশি রাজ্যে শান্তির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। জিরানিয়া থেকে আতঙ্কের পরিবেশ দূর হয়েছে। এদিনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী সহ অন্যান্য আধিকারিক। আগামী ১ থেকে ২ বছরের মধ্যে গোটা নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে জানা যায়।

