স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৭ ডিসেম্বর : উত্তরাখণ্ডের রাজধানী দেরাদুনে খুন হল ত্রিপুরার ছাত্র এঞ্জেল চাকমা। তার বাড়ি রাজধানীর নন্দননগর এলাকায়। দেরাদুনে জিকে সা কলেজে এমবিবিএস কোর্সের অন্তিম বর্ষের ছাত্র ছিল সে। গত নয় ডিসেম্বর এঞ্জেল এবং তার বড় ভাই মাইকেল চাকমা দেরাদুনের এক বাজারে গিয়েছিলেন। বাজার থেকে ফেরার সময় তাদের দেখে কিছু দুষ্কৃতিকারী কটুক্তি করার পর তারা প্রতিবাদ জানাতে যায়। তখন মাইকেলকে মারধর শুরু করে দুষ্কৃতিকারীরা। তখন এঞ্জেল পাল্টা প্রতিরোধ করতেই তার উপর ছুরি দিয়ে আঘাত শুরু করে।
তার ঘাড় ভেঙে ফেলে দুষ্কৃতিকারীরা এবং তার পেটে ছুরি দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করে। পরবর্তী সময় উদ্ধার করে হাসপাতাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন তার মাথার ব্রেনের মধ্যে রক্ত জমাট বেঁধেছে। দশ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সুস্থ না হওয়ায় অস্ত্রোপচার হয়। অস্ত্রোপচারের পর সাড়া দিলেও দ্বিতীয় দিন থেকে সাড়া দেয়নি এঞ্জেল। হাসপাতালের চিকিৎসকরাও স্থানীয়দের চাপে পড়ে সঠিকভাবে চিকিৎসা করে নি বলে অভিযোগ তুলেন। গত ২৬ শে ডিসেম্বর মৃত্যুর কোলে পড়েন এঞ্জেল। শনিবার মৃতদেহ দেরাদুন থেকে আগরতলা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাতেই ওয়াই টি এফ সহ অন্যান্য সংগঠনের কর্মীরা ছুটে যান। মৃতদেহ বাড়িতে আনার পর কান্নায় ভেঙে পড়ে সকলে। ওয়াই টি এফ -এর পক্ষ থেকে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানায় এদিন। তারা জানায় এই ঘটনার পর এখন পর্যন্ত পাঁচ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। অথচ মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়নি। ত্রিপুরা সরকারের পক্ষ থেকে উত্তরাখণ্ডের সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে মূল অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে সুষ্ঠু বিচার করতে হবে। এঞ্জেলের পিতা একজন বিএসএফ জওয়ান।

