Wednesday, February 4, 2026
বাড়িরাজ্যআগামী দিন ত্রিপুরায় ফিল্ম ইউনিভার্সিটি স্থাপন করা হবে : মুখ্যমন্ত্রী

আগামী দিন ত্রিপুরায় ফিল্ম ইউনিভার্সিটি স্থাপন করা হবে : মুখ্যমন্ত্রী

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৯ ডিসেম্বর :  শুক্রবার এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রাজধানীর রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে গ্রেটেশান প্রাপ্ত শিল্পী ও ত্রিপুরা ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব পি.কে চক্রবর্তী,  সহ অন্যান্যরা ত্রিপুরা ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট এর উপদেষ্টা বিপ্লব গোস্বামী সহ অন্যান্যরা।

 পরবর্তী সময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা বলেন, ত্রিপুরা ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট রাজ্যের ছেলেমেয়েদের দক্ষতা প্রতিভা বিকাশের জন্য গর্বের সাথে কাজ করছে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে বর্তমানে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কোর্স সম্পূর্ণ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতবর্ষের মোট জন সংখ্যার ৬৫ শতাংশ যুব। তাই প্রধানমন্ত্রী যেখানেই যান যুবদের নিয়ে কথা বলেন। যুবরা হচ্ছে দেশের সম্পদ। এই সম্পদ আর কোন দেশে নেই। ত্রিপুরা ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট থেকে যারা সার্টিফিকেট কোর্স করছে তাদেরকে বিভিন্ন স্কিমে সাহায্য করা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও জানান সমগ্র দেশের মধ্যে তৃতীয় পূর্ণ স্বাক্ষর রাজ্য হিসাবে কিছুদিন পূর্বে ত্রিপুরার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। স্বাক্ষরতার দিক থেকে মিজোরাম ও গোয়ার পরে রয়েছে ত্রিপুরা। রাজ্যের পর্যটন ক্ষেত্রের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় ইউনিয়ন মন্ত্রক থেকে বৃহস্পতিবার ৪৫০ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন বর্তমানে ত্রিপুরা রাজ্যের চিত্র অনেকটা পাল্টে গেছে। ত্রিপুরা রাজ্যের পরিকাঠামোর উন্নয়ন করা হয়েছে।

পরিকাঠামো গড়ে তোলার পাশাপাশি তার থেকে মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ কি ভাবে বৃদ্ধি করা যায় সেই দিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ত্রিপুরা রাজ্যে আগামী দিনে ফিল্ম ইউনিভার্সিটি স্থাপনের ঘোষণা দেন মুখ্যমন্ত্রী। ফিল্ম ইউনিভার্সিটির জন্য ৫০ একর জায়গা ইতিমধ্যে চিহ্নিত করে রাখা হয়েছে। আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা গ্রেটেশান প্রাপ্ত শিল্পী ও ত্রিপুরা ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হাতে শংসাপত্র তুলে দেন।অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের মধ্যে এখন শিশুদের পাঠাতে ১০০ বার ভাবতে হচ্ছে অভিভাবকদের। এভাবে চলতে থাকলে অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে যাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে কচিকাচাদের। প্রশাসনিক চরম গাফিলতি যে কতটা দূর এগিয়ে গেছে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের দৃশ্য দেখলে। দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই চলছে বলে অভিযোগ উঠছে এলাকা থেকে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য