স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৯ নভেম্বর :গত ১৪ নভেম্বর বিহারে এন.ডি.এ -র জয়ের পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিরোধী রাজনৈতিক দলের দলীয় কার্যালয় এবং কর্মী সমর্থকদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কমলপুর মহকুমা মানিক ভান্ডার স্থিত সিপিআইএম মহকুমা কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সেদিন মাঝরাতে বন্ধ সিপিআইএমের দলীয় কার্যালয়ে আগুন লাগিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা।
এই ঘটনার অভিযোগের তীর শাসক দল বিজেপির দিকে। বর্তমান সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর গত ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত এই দলীয় কার্যালয়ে একুশবার হামলা করেছে শাসক দলের দুর্বৃত্তরা। বুধবার এই দলীয় কার্যালয় পরিদর্শনে গেলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীর নেতৃত্বে সিপিআইএমের একটি প্রতিনিধি দল । বিরোধী দলনেতা সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ২০১৮ সাল থেকে বহু চেষ্টা করে এই দলীয় কার্যালয়টি খোলা যাচ্ছে না। এই দলীয় কার্যালয়টি খোলা হলে শাসক দলের দুর্বৃত্তরা আশেপাশের সমর্থকদের বাড়িঘরেও আক্রমণ চালায়। একই সঙ্গে তাদের দোকানপাটেও হামলা চালায়। গত ১৪ নভেম্বর এই দলীয় কার্যালয়ে অগ্নি সংযোগ করেছে শাসক দলের দুষ্কৃতিকারীরা।
তিনি বলেন এই ঘটনা পেছনে মূল কারণ হলো বিহারের নির্বাচনে জয় বিজেপি-র কাছে ছিল অনিশ্চিত। বিভিন্ন কারসাজি করে বিহারে জয় নিশ্চিত করেছে বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে জোড়াতালির জয় যখন সামনে আসে তখন অক্সিজেন পেয়েছে ত্রিপুরার বিজেপি। এর দ্বারা রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএম দাবি করে বিজেপি শুধুমাত্র ফ্যাসিবাদী চেহারায় নয়, নয়া ফ্যাসিবাদীর চেহারা নিয়েছে বিজেপি। কিন্তু এদের দিন গনিয়ে আসছে। তাই তারা এই বন্ধ সিপিআইএমের দলীয় কার্যালয়ের উপর আক্রমণ করেছে। এতে প্রমাণ করে তারা সিপিআইএমের বন্ধ দলীয় কার্যালায় পর্যন্ত ভয় পায়। এটাই তাদের ঘুম কেড়ে নিচ্ছে। তিনি আরো বলেন বিজেপি যতই পয়সা দিয়ে লোক টানাটানি করার চেষ্টা করুক না কেন ব্যর্থ হচ্ছে। আগামী দিন এর বিরুদ্ধে সমস্ত গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করতে হবে বলে জানান তিনি। এদিন বিরোধী দলনেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম নেতৃত্ব সুদন দাস, রতন দাস সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

