স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১০ নভেম্বর :এই রাজ্যে সিপিএমের কোন ভবিষ্যৎ নেই। সিপিএম দলে থাকা পরোক্ষভাবে বিজেপি করা। কারণ সিপিএমের ২৫ বছরের রাজত্ব মানুষ ভুলে যায়নি। এখনো সেই রাজত্ব মানুষের স্মৃতিতে তরতাজা হয়ে রয়েছে। বিকল্প হিসেবে কংগ্রেসকে চাইছে মানুষ। কুর্তি কদমতলা ব্লক কংগ্রেস আয়োজিত কংগ্রেসের যোগদান সভায় যোগদান কারীদের উদ্দেশ্যে এ কথা বললেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। সোমবার ৫৪ নং কদমতলা কুর্তি ব্লক কংগ্রেস কমিটি উদ্যোগে চোরাইবাড়ি কমিউনিটি হলে হয় কংগ্রেসের এই যোগদান সভা। যোগদান সভায় ১৩৭ জন ভোটার অন্যান্য রাজনৈতিক দল ছেড়ে কংগ্রেসের যোগদান করেন।
এরমধ্যে ১০২ জন সরাসরি সিপিআইএম থেকে কংগ্রেসে যোগদান করেছেন। তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে দলে স্বাগত জানান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা এবং বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন বক্তব্য রেখে আরো বলেন, বিজেপির বিরুদ্ধে সারাদেশেই আন্দোলন চলছে। সারা দেশের পাশাপাশি ত্রিপুরা রাজ্য আন্দোলন শুরু হয়েছে। ত্রিপুরার মানুষ ২৫ বছর সিপিআইএমের রাজত্ব দেখেছে। আর কয়েকদিন বাদে বিজেপির ১০ বছরের রাজত্ব দেখা সম্পূর্ণ হবে রাজ্যবাসীর। তাই মানুষ এখন থেকেই বিকল্প হিসেবে কংগ্রেসকে বেছে নিচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, কংগ্রেসকে একটা সুযোগ দেওয়ার জন্য রাজ্যবাসীর কাছে অনুরোধ জানিয়ে সারা রাজ্য চষে বেড়াচ্ছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। যাতে সকলে একজোট হয়ে স্বার্থান্বেষী রাজনৈতিক দলগুলির ফাঁদে যাতে পা না দেয়। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস এককভাবে লড়াই করে সরকারের প্রতিষ্ঠিত হবে। সেসব রাজনৈতিক দলকে দেখিয়ে দেবে কিভাবে জনগণকে নিয়ে কংগ্রেস সরকার পরিচালনা করতে হয়। একই সাথে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভোট চুরি করে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। এটা তথ্য প্রমাণ দিয়ে জনসম্মুখে পরিষ্কার করে দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। দলীয় কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে সুদীপ রায় বর্মন আরো বলেন, সর্বভারতীয় কংগ্রেস একমাত্র রয়েছে যারা বিজেপিকে পরাস্ত করতে পারবে। এদিন এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছিদ চৌধুরী, উত্তর জেলার কংগ্রেস সভাপতি দিগ বিজয় চক্রবর্তী, ব্লক কংগ্রেস সভাপতি মানিক লাল দাস সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। এদিন যোগদান কর্মসূচির আগে ধর্মনগর থেকে একটি সুবিশাল বাইক র্যালির মাধ্যমে কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীরা প্রদেশ সভাপতি আশীষ কুমার সাহা এবং বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মনকে চুড়াইবাড়ি কমিউনিটি হলে নিয়ে যায়।

