Wednesday, February 4, 2026
বাড়িরাজ্যমাথা ফাটবে, রক্ত ঝরবে, কিন্তু পিছু হাটলে চলবে না : মানিক সরকার

মাথা ফাটবে, রক্ত ঝরবে, কিন্তু পিছু হাটলে চলবে না : মানিক সরকার

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১০ নভেম্বর : সোমবার সিআইটিইউ -র ১৬ তম ত্রিপুরা রাজ্য সম্মেলন উপলক্ষে রাজধানীর ওরিয়েন্ট চৌমহনী এলাকায় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, গাড়ি ও রেল বন্ধ করে সি আই টি ইউ সমাবেশে অংশ নিতে বাধা সৃষ্টি করেছে শাসক দল। কিন্তু মানুষ সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে আজকের সমাবেশে অংশ নিয়েছে। এর দ্বারা প্রমাণ হয়েছে শাসক দল বিজেপি দুর্বল। তারা শ্রমিক শ্রেণীকে ভয় পায়।

 তিনি আরো বলেন, দাবি পূরণের জন্য শ্রমিক শ্রেণীর মানুষের কাছে বিকল্প একটাই পথ লড়াই করা। শুধুমাত্র কেন্দ্র এবং রাজ্য থেকে বর্তমান সরকার থেকে হটাতে পারলে দায়িত্ব শেষ নয়। শ্রেনীহীন শোষণমুক্ত সমাজ, পুঁজিবাদের সাম্রাজ্য নির্মল করা এবং সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নিয়ে যেতে সাধারন মানুষের চিন্তা ভাবনাকে সম্প্রসারিত করতে হবে। নাহলে শ্রমিক শ্রেণীর সংগ্রামে দুর্বলতা থাকবে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, মাথা ফাটবে, রক্ত ঝরবে, কিন্তু পিছু হাটলে চলবে না। যারা সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের বড় ভূমিকা নিতে হবে‌। রাজ্যের অভ্যন্তরীণ পরিবেশের মধ্যে যাতে একটা পরিবর্তন আনতে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

 এই কথাগুলি দলের নেতৃত্ব ও কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। রাজ্যে বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী বক্তব্য রেখে বলেন, ত্রিপুরা রাজ্যের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টি বিহারের মতো এসআইআর দিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। তিপরা মথার সুপ্রিমো প্রদ্যোৎ কিশোর দেববর্মণ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্লোগান তুলে জনজাতিদের মানুষের আবেগ কাজে লাগাতে চাইছে। একই সাথে তিনি বলেন ত্রিপুরা রাজ্যের মানুষের শিক্ষার অধিকার, স্বাস্থ্যের অধিকার, নিরাপত্তার অধিকার সহ সমস্ত গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ইতিহাস তৈরি করতে হবে। এর জন্য সকলকে দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। রাজ্যের যুবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যেহেতু গত সাড়ে সাত বছরে কিছু হয়নি তো আগামী আড়াই বছরেও কিছু হবে না। রাজ্যের যুবকদের চাকরি সহ সমস্ত অধিকার চলে যাবে ভিন রাজ্যের যুবকদের কাছে। সবকিছুই শাসক দলের সমর্থিত যুবকদের দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতে হবে। তাই জনগণের ঐক্য সংহতি নিয়ে গণতান্ত্রিকভাবে আরো বেশি শক্তি দেখাতে হবে। আয়োজিত সভায় কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল বেশ লক্ষণীয়।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য