স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৭ নভেম্বর : বি এম এস -এর ঝামেলার কারণে ধর্মনগর ডিপোতে চলছে কর্মবিরতি। রাজ্যে জ্বালানি তেল সংকটের আশঙ্কা। পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলা শাসকের নিকট ডেপুটেশন প্রদান করল প্রদেশ যুব কংগ্রেস। মূলত ধর্মনগরের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই ডেপুটেশন প্রদান করল যুব কংগ্রেস। সম্প্রতি ধর্মনগরে বিএমএস-এর গোষ্ঠী কোন্দলকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়ায়। আইন-শৃঙ্খলার অবনতির বিষয়টি বিবেচনা করে মহকুমা প্রশাসনের নির্দেশে সিল করে দেওয়া হয় ধর্মনগর বিএমএস অফিস।
বিএমএস-এর এই গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে ওয়েল ট্যাংকার চালকরা যান চলাচল বন্ধ করে রাখে। এতে করে ধর্মনগর ডিপো থেকে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে পেট্রোল ও ডিজেল সাপ্লাই বন্ধ হয়ে রয়েছে। যার জেরে পেট্রোল পাম্প গুলিতে পেট্রোল ও ডিজেল সংকট দেখা দিতে পারে যে কোন সময়। তাই অবিলম্বে সমস্যার সমাধান করে ধর্মনগর ডিপো থেকে সমগ্র রাজ্যে পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করার জন্য পশ্চিম জেলার জেলা শাসকের নিকট ডেপুটেশন প্রদান করল প্রদেশ যুব কংগ্রেস। প্রদেশ যুব কংগ্রেসের এক প্রতিনিধি দল এইদিন পশ্চিম জেলার জেলা শাসকের কার্যালয়ে গিয়ে জেলা শাসকের নিকট ডেপুটেশন প্রদান করে।
যুব কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সভাপতি নীল কমল সাহা। এদিকে আগরতলা শহরের এক পেট্রোল পাম্পের কর্ণধারের কাছ থেকে জানা যায় ধর্মনগর ডিপোতে গাড়ি পাঠানোর পর লোডিং করতে দিচ্ছে না স্থানীয় কিছু নেতৃত্ব। সেখানে কর্মবিরতি চলছে। আপাতত কোন ধরনের পেট্রোল সংকট না থাকলেও আগামী দুদিন যদি এভাবে চলে তাহলে পেট্রোল সংকট দেখা দিতে পারে। যতদূর খবর এখনো কর্ম বিরতি থেকে বের হয়ে আসতে পারেনি ভেকধারীরা। সাধারণ মানুষ কতটা সমস্যায় পড়তে পারে সেটা না ভেবে নিজেদের দাবি-দাওয়া এবং স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে সক্রিয় ভারতীয় মজদুর সংঘের নেতারা। এখন পর্যন্ত প্রশাসনের সাথে দফায় দফায় বৈঠক চলছে। কিন্তু সমাধানের সূত্র না বের হয়ে আসা পর্যন্ত কর্মবিরতি থাকবে বলে জানা যায়। মুখোশধারী কিছু নেতৃত্বের দুর্বৃত্তপনার কারণে প্রশাসনকে কঠোর পথে হাঁটতে হয়েছে। সেখানে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক কার্যালয় তালা দিয়ে রেখেছে মহকুমা প্রশাসন।

