Sunday, December 4, 2022
বাড়িরাজ্যজনজাতিদের বিকাশের অপর নাম ভারতীয় জনতা পার্টি : জে পি নাড্ডা

জনজাতিদের বিকাশের অপর নাম ভারতীয় জনতা পার্টি : জে পি নাড্ডা

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২৯ আগস্ট :  ভিলেজ কমিটি নির্বাচনের আগে ভোটের দামামা বাজাতে দুদিনের রাজ্য সফরে এসে সাংগঠনিক বিষয় খতিয়ে দেখলেন ভারতীয় জনতা পার্টির রাষ্ট্রীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সোমবার প্রদেশ বিজেপি -র উদ্যোগে এ ডি সি -র সদর দপ্তর খুমুলুঙ -র মোটর স্ট্যান্ডে  আয়োজিত জনসভা অংশ নেন তিনি। ভিলেজ কমিটি নির্বাচনের আগে এই জনসভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল বিজেপি দলের কাছে। এদিনের সভার শুরুতে বিজেপি-র রাষ্ট্রীয় সভাপতিকে জনজাতিদের রিশা, পোশাক ও পাগড়ী পড়িয়ে স্বাগত জানান জনজাতি নেতৃত্বরা। এদিনের সভাকে সম্বোধন করতে গিয়ে বিজেপি-র রাষ্ট্রীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা রাজ্যের ১৯ টি জনজাতি গোষ্ঠীকে আশ্বস্ত করেন জনজাতিদের উন্নয়ন কেবল বিজেপি-ই করতে পারে।

 মূল স্রোতে বিকাশের ধারা প্রবাহ করতে ডাবল ইঞ্জিনের নেতৃত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঠিক একই ভাবে রাজ্যের জনজাতিদের সার্বিক উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা, প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, উপ মুখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মা, বিধায়ক বিপ্লব কুমার দেব সহ বিজেপি নেতৃত্বরা। তিনি আরও বলেন বিজেপি দল একমাত্র দল যারা জনজাতিদের কথা চিন্তা করে। তাদের উন্নয়নের মূল স্রোতের সঙ্গে সামিল করে। জনজাতিদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, আর্থ সামাজিক ঘটিয়ে চলেছে বিজেপি সরকার। জল, জঙ্গল , জমি , শিক্ষা , স্বাস্থ্য, পরম্পরার চিন্তা কেউ করে থাকলে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। স্বাধীনতার জন্য জে সমস্ত জনজাতি অংশের মানুষ অংশীদারী হয়েছিলেন তাদের সম্মানার্থে একটি মিউজিয়াম তৈরি করেছেন। সিপিএম-র ২৫ বছরের ক্ষমতায় জনজাতিরা উপেক্ষিত ছিল। ত্রিপুরার রাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্যকে সম্মান জানানোর জন্য তাঁর নামে বিমানবন্দরের নামাকরণ করা হয়েছে।

থাঙ্গা ডারলং, বেনী চন্দ্র জমাতিয়াদের পদ্মশ্রী দিয়ে জনজাতি অংশের মানুষকে মূল ধারায় আনার কাজ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জনজাতিদের বিকাশের অপর নাম ভারতীয় জনতা পার্টি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলে জানান তিনি। সিপিএম আমলে অত্যাচার করা হয়। ভয়ভীতি প্রদর্শন করত সিপিএম। এখন শান্তিতে থাকার সুযোগ করে দিয়েছে বিজেপি সরকার। ৭৫ বছর পর জাতীয় ট্রাইবেল ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হয়েছে। আগের সরকারের চিন্তা ভাবনায় এগুলি ছিল না। জনজাতি গৌরব দিবস উদযাপন করা হয়। ১৫ নভেম্বর বীরসা মুন্ডার জন্ম দিনকে জনজাতি গৌরব দিবস হিসাবে উদযাপন করা হচ্ছে। এটা বর্তমান সরকারের সময় হয়েছে। আস্ফা ৬৪ শতাংশ এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়েছে। ২৭ টি ট্রাইবেল রিসার্স সেন্টার খোলা হয়েছে। স্বাধীন ভারত বর্ষে প্রথম বার দেশের সর্বোচ্চ স্থানে একজন সাধারন জনজাতি মহিলাকে বসানো হয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সভায় এই প্রথম বার এত পরিমাণে জনজাতি অংশের প্রতিনিধিদের মন্ত্রিত্ব দেওয়া হয়েছে।  এন ডি এ- মন্ত্রী সভায় ৮ জন এবং রাজ্যে ৬ জন জনজাতি অংশের প্রতিনিধিত্ব করছেন বলে জানান রাষ্ট্রীয় সভাপতি। প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী পৃথক ভাবে জনজাতি মন্ত্রক করার চিন্তা ভাবনা করেছিলেন। জনজাতিরা আত্ম নির্ভর হওয়ার জন্য নিজেদের গোষ্ঠীকে নিয়ে এগিয়ে আসছে। দেশের সঙ্কটের সময় জনজাতি সমাজ  সব সময় এগিয়ে এসেছে বলে জানান তিনি। এদিনের জন সভায় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা, প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, রাজ্য প্রভারী বিনোদ সোনকর, বিধায়ক বিপ্লব কুমার দেব, উপ মুখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মা, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক, সাংসদ রেবতী কুমার ত্রিপুরা, মন্ত্রী রামপদ জমাতিয়া, মন্ত্রী সান্তনা চাকমা সহ অন্যান্যরা।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য