স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ১৪ সেপ্টেম্বর: দুর্গাপুজো মানেই ঘরের মেয়ের ঘরে ফেরার আনন্দে মাতে আপামর বাঙালি। রাস্তায় নামে দর্শকের ঢল। আর সেই ভিড় সামলাতে রাস্তায় অতন্দ্র প্রহরী পুলিশ। বাড়ি-পরিবার-সন্তান ছেড়ে পুলিশ কর্মীরা নিরাপত্তায় নিবেদিত প্রাণ। কিন্তু তারপরেও প্রশ্ন উঠে নিরাপত্তা নিয়ে। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর সপ্তমী। অথচ চতুর্থী ও পঞ্চমীতে উদ্বোধন হয়ে যাবে আগরতলা শহরে পশ্চিম আগরতলা থানার অন্তর্গত অধিকাংশ ক্লাবের পুজো মন্ডপ।
সুতরাং আর হাতে গোনা ১০ থেকে ১২ দিন। এর আগে বিভিন্ন ক্লাবের পুজো কমিটিকে নিয়ে পশ্চিম আগরতলা থানার উদ্যোগে সেরে নেওয়া হচ্ছে ম্যারাথন বৈঠক। কারণ গত কয়েক বছরে নতুন করে সংযুক্ত হয়েছে রকমারি আয়োজন। এরমধ্যে হল অন্যতম কার্নিভাল। আগামী ৪ অক্টোবর আগরতলা শহর হবে জনপ্রিয় কার্নিভাল। এই কার্নিভাল ঘিরে প্রতিবছরই একাধিক ঘটনার সাক্ষী হয় পুলিশ। অভিযোগ উঠে পুলিশের ব্যবস্থাপনা নিয়ে। এর মধ্যে রয়েছে যেমন ট্রাফিক জ্যাম, ডিজে, মারপিট এবং মাদকদ্রব্যের উর্মাদনা। অথচ তারপরেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কার্নিভাল।
বিশেষ করে প্রতিমা নিরঞ্জনের প্রধানস্হল দশমী ঘাট পশ্চিম থানাধীন এলাকায়। পুজোর চারটা দিন এবং এই কার্নিভালের জন্য অপেক্ষায় থাকে লক্ষ লক্ষ মানুষ। তাই দুর্গা পূজার দিনগুলিতে পশ্চিম আগরতলা থানা এলাকায় শান্তির পরিবেশ বজায় রাখতে বিভিন্ন ক্লাব, সামাজিক সংস্থা ও পূজা উদ্যোক্তাদের নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। রাজধানীর রেডক্রস ভবনে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমা আগরতলা থানার ওসি রানা চ্যাটার্জি, এস.ডি.পি.ও দেবপ্রসাদ রায় সহ অন্যান্যরা। মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দেব প্রসাদ রায় জানান দুর্গা পূজার সময় শান্তির পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। তাঁর জন্য এইদিন বিভিন্ন ক্লাব, সামাজিক সংস্থা ও পূজা উদ্যোক্তাদের নিয়ে আলোচনা সভা করা হয়েছে। কিছু বিষয়ে বিধি নিষেধ রয়েছে। যেমন প্রতিমা নিরঞ্জন এর সময় ডিজে সাউন্ড এবং নেশাগ্রস্ত অবস্থা থেকে বিরত থাকা। দূর্গা পূজার সার্বজনীন একটা পূজা। এই দিনগুলোর জন্য অপেক্ষায় থাকে রাজ্যবাসী। পাশাপাশি রয়েছে কার্নিভাল। সার্বিকভাবে যাতে পুজোর দিনগুলি সকলের আনন্দে কাটে তার জন্য পুনরায় পুজো কমিটি গুলিকে ডেকে বৈঠক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মহকুমা পুলিশ আধিকারিক।

