স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১ সেপ্টেম্বর : আগরতলা- উদয়পুর জাতীয় সড়কের রাস্তা বেহাল অবস্থা। বিশেষ করে উদয়পুর, ধ্বজনগর, পুলিশ লাইন, টেপানিয়া ইকোপার্কের আশপাশ ইত্যাদি এলাকা সহ উদয়পুর মহকুমার জাতীয় সড়কের রাস্তার বিভিন্ন জায়গাগুলো বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। জাতীয় সড়কের বেহাল অবস্থার জন্য রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায় এবার সোচ্চার হয়েছেন। মন্ত্রী নিজে জানান খোয়াই থেকে মোহনপুর কমলা সাগর হয়ে মাতারবাড়ি পর্যন্ত চার লেন বিশিষ্ট জাতীয় সড়ক নির্মাণের ডিটেলস প্রোজেক্ট রিপোর্ট বা ডিপিআর ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। তবে তিনি এটাও বলেন জাতীয় সড়ক সংস্কারের পূর্ত দপ্তরের কোন ভূমিকা নেই যা করবে জাতীয় সড়ক নির্মাণের জন্য তা কেন্দ্রীয় নির্মাণ সংস্থাকেই করতে হবে।
এদিকে যানচালক ও নিত্যযাত্রীদের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় সড়কের বহু অংশের পিচ উঠে গিয়ে ছোট বড় গর্ত তৈরি হয়ে রয়েছে। সাময়িকভাবে তাপ্পি দিয়ে সারাই করে কাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে জাতীয় সড়ক নির্মাণ সংস্থার বিরুদ্ধে। এদিকে ব্রক্ষ্মা বাড়ি সিএনজি স্টেশনের সামনে রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল হয়ে আছে। সামান্য বৃষ্টি হলে জল জমে গিয়ে যা বেশ কিছুদিন ধরেই জমে থাকে এবং যানচালক ও পথচারীদের অসুবিধা তৈরি করে। জল জমে সমস্যা তৈরি হয় ধ্বজনগর পুলিশ লাইনে সামনে ও। সেখানে নর্দমার জল গড়িয়ে রাস্তা প্লাবিত করে। গুঞ্জন উঠছে এই সমস্যা দীর্ঘদিনের হলেও তা দেখেও দেখছে না জাতীয় সড়ক নির্ণয় সংস্থা। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায় বলেন, তিনি নিজে নির্মাণ সংস্থাকে রাস্তাগুলো ঠিকঠাক করে দেওয়ার জন্য বলেছেন। বাস্তবে দেখা গেছে এখনো ঠিকমতো রাস্তা সংস্কার হয়নি।
ফলে যান চলাচল একদিকে যেমন ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে তেমনি চাকার এবং যত্রাংশের ও ক্ষতি হচ্ছে ব্যাপকভাবে। এছাড়া রমেশ চৌমুহনী, ব্রিজ কর্নার, ব্রক্ষ্মা বাড়ি, মাতাবাড়ি সহ বিভিন্ন এলাকা সড়ক অবৈজ্ঞানিক ভাবে উঁচু হয়ে আছে। মাঝে মাঝে মাটি ফেলে জাতীয় সড়কের সঙ্গে পাশের জায়গায় উচ্চতা সমান করা উদ্যোগ নেওয়া হয় কিন্তু সামান্য বৃষ্টিতে সেই মাটি ধুয়ে গিয়ে অবস্থা যে সেই হয়। এ নিয়ে নির্মাণ সংস্থা খুব বেশি হেলদোল কখনোই দেখা যায়নি বলে অভিযোগ। দাবি উঠছে আগরতলা থেকে সাব্রুম পর্যন্ত জাতীয় সড়কের রাস্তা অতিসত্বর নির্মাণ করে চলাচলের সুযোগ করে দেওয়া। এদিকে উদয়পুর নেতাজি সুভাষ সেতুর ব্রীজ ও ফাটল ধরেছে বিভিন্ন জায়গায়।

