স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক ১১মার্চ : হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতে আসার পথে আক্রান্ত জাহাজ। ময়ুরী নারী নামের ওই পণ্যবাহী জাহাজটি থাইল্যান্ডের পতাকাবাহী। তবে সূত্রের খবর, ওই জাহাজটি গুজরাট উপকূলের দিকে বহু অতিপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে আসছিল। সেসময় আচমকা সেটির উপর হামলা হয়। তবে কারা হামলা চালিয়েছে সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ময়ুরী নারী নামের ওই হাজাজটি সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর খলিফা বন্দর থেকে গুজরাটের কান্দেলা বন্দরের দিকে রওনা দিয়েছিল। হরমুজ দিয়ে আসার সময় আচমকা জাহাজটি আক্রান্ত হয়। ওই জাহাজ থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। থাইল্যান্ড রয়্যাল নেভির তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, এই আক্রমণের ধরন এখনও জানা যায়নি। তবে উদ্ধারকাজ চলছে। জানা গিয়েছে, ওমান নেভির তরফে উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। ২৩ জন নাবিককে উদ্ধার করা গিয়েছে। ৩ জন এখনও নিখোঁজ।
প্রায় ২ সপ্তাহ ধরে চলা ইরান যুদ্ধে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেল সংকট ভয়াবহ আকার নিয়েছে। ইরানের তরফে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে হরমুজ থেকে কোনও তেলবাহী জাহাজকে যেতে দেওয়া হবে না। ইরানের বাহিনী আইআরজিসি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, এক লিটার তেলও পশ্চিম এশিয়ার বাইরে যাবে না। পালটা আমেরিকা জানিয়েছে, হরমুজ বন্ধ করলে ভয়ংকর হামলার মুখে পড়তে হবে ইরানকে। এই হুমকি হুঁশিয়ারির মাঝেই ইরান জানিয়েছিল হরমুজে মোতায়েন করা হয়েছে মাইন বোঝাই নৌযান। সেই মাইন নৌযানের জন্যই কি আক্রান্ত হল ময়ুরী নারী নামের ওই জাহাজটি? সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে ওই জাহাজটিতে ভারতীয় পণ্য ছিল। ভারতীয় নাবিকও থাকতে পারেন। অর্থাৎ এই প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধে সরাসরি প্রভাবিত হচ্ছে ভারত। তাছাড়া ভারতের বেশ কিছু জাহাজ ওই বিতর্কিত এলাকায় আটকে রয়েছে বলে খবর। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে এবার কি নয়াদিল্লি কোনও কড়া পদক্ষেপ করবে? এবার কি হরমুজে পাঠানো হবে ভারতের রণতরী?

