Wednesday, February 4, 2026
বাড়িবিশ্ব সংবাদ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিল্লি, ভারতে আসবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট’, দাবি করলেন ট্রাম্পের দূত

‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিল্লি, ভারতে আসবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট’, দাবি করলেন ট্রাম্পের দূত

স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক ১২ জানুয়ারি : যখন ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তি বিশ বাঁও জলে, তখন উলটো সুর মার্কিন প্রেসিডন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূতের কণ্ঠে। সোমবার ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর দাবি করলেন, আমেরিকার কাছে ভারতই হল সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব আমেরিকার কাছে যতটা গুরুত্বপূর্ণ, ততটা আর কোনও দেশের ক্ষেত্রে নয়। আরও জানালেন, মঙ্গলবার থেকে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আরও এক দফায় কথা হবে দিল্লি-ওয়াশিংটনের। এছাড়াও আগামী বছরে ভারত সফরে আসবেন ট্রাম্প!

সোমবার দিল্লির দূতাবাস থেকে গোরের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ট্রাম্পের বন্ধুত্ব ‘খাঁটি’। প্রকৃত বন্ধুরা নিজেদের মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্বকে মুছে ফেলতে জানে। তিনি বলেন, “আমেরিকা এবং ভারত কেবল অভিন্ন স্বার্থে অঙ্গিকারবদ্ধ নয় বরং সম্পর্কের সর্বোচ্চ স্তরে একে অপরের সঙ্গে সম্পৃক্ত। প্রকৃত বন্ধুরা দ্বিমত পোষণ করতেই পারে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত মতপার্থক্যের সমাধানও করে।” ট্রাম্পের দূত জানান, সিলিকন, সেমিকন্ডাক্টর এবং কৃত্রিম মেধা প্রযুক্তিতে ভারতের সঙ্গে জোট বাঁধতে আগ্রহী তারা।

সিলিকন, সেমিকন্ডাক্টর এবং কৃত্রিম মেধা প্রযুক্তিতে একটি দেশের উপর নির্ভরতা কমাতে ‘প্যাক্স সিলিকা’ জোট তৈরি করেছে ওয়াশিংটন। আমেরিকা ছাড়াও এই জোটে রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেন, সিঙ্গাপুর, নেদারল্যান্ডস, ইজরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং অস্ট্রেলিয়া। গোরের দাবি, ভারতকে ওই জোটের সদস্য করতে চায় আমেরিকা। এছাড়াও নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ দমন, জ্বালানি, প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যে ক্ষেত্রে দিল্লির সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ওয়াংশিংটন। বন্ধুত্ব বিস্তারে আগামী বছর ভারতে আসতে পারেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত নভেম্বরে হোয়াইট হাউসে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসাবে শপথ নেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। গত শুক্রবার দিল্লিতে পৌঁছান তিনি। বর্তমানে তাঁর নিয়োগ প্রক্রিয়া সংক্রান্ত নথিপত্র যাচাইয়ের কাজ চলছে। এমন এক সময়ে গোর ভারতে এসেছেন, যখন দিল্লি-ওয়াশিংটন কূটনৈতিক টানাপড়েন চলছে। ভারতের উপরে আগে থেকেই ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়ে রেখেছে আমেরিকা। তা আরও বৃদ্ধি করার ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন ট্রাম্প। দফায় দফায় আলোচনার পরেও দু’দেশের বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত রূপ পায়নি। এমন এক চাপানউতরের পরিবেশে ফের মোদি-ট্রাম্পের বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরার চেষ্টা করলেন গোর। যা উভয় দেশের সম্পর্কের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য