Thursday, February 5, 2026
বাড়িরাজ্য২০২৮ সালে রাজ্যে সরকার পরিবর্তন করবে কংগ্রেস, কিন্তু কোন অপরাধীর জায়গা নেই...

২০২৮ সালে রাজ্যে সরকার পরিবর্তন করবে কংগ্রেস, কিন্তু কোন অপরাধীর জায়গা নেই : সুদীপ

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ৫ আগস্ট : নেশা নয় চাকুরী চাই- এই স্লোগান সামনে রেখে মঙ্গলবার মুক্তধারা প্রেক্ষাগৃহে ত্রিপুরা প্রদেশ যুব কংগ্রেসের রাজ্যভিত্তিক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন, বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা, প্রদেশ যুব কংগ্রেস সভাপতি নীলকমল সাহা সহ অন্যান্যরা। এইদিনের সভায় আলোচনা করতে গিয়ে কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ প্রদেশ যুব কংগ্রেসের অনেক কাজ এখনো বাকি রয়েছে। মানুষ বিজেপির সাথে নেই। সর্বদিক থেকে ব্যর্থ বিজেপি। মানুষ তাদের দিক থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে।

 তাই মানুষের নজর অন্যদিকে ঘুরানোর জন্য নানান ইসুকে সামনে তুলে ধরছে। ত্রিপুরা রাজ্যের পাশাপাশি সমগ্র দেশে এইটা চলছে। এক দেশ, এক নির্বাচন, এক ভাষা, এক ধর্ম এই চিন্তা ভাবনায় আবদ্ধ বিজেপি। তাই তারা বর্তমানে বাংলা ভাষাকে বাংলাদেশী ভাষা বলছে। ইতিহাসের অপব্যাখ্যা করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটা অপ্রয়াস চালাচ্ছে বিজেপি। তিনি আরো বলেন, লক্ষ্য স্থির করে রাখুন। ২০২৮ সালে রাজ্যে সরকার পরিবর্তন করবে কংগ্রেস। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি, মার্চ মাসে কংগ্রেস দলে যোগদানকারীদের জায়গা দেওয়া যাবে না। তবে মনে রাখতে হবে যারা মানুষের বাড়িঘর ভেঙেছে, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে, বলপূর্বক চাঁদা আদায় করেছে, তাদের মতো কোন ক্রিমিনালকে কংগ্রেস বলে জায়গা দেওয়া হবে না।

দলীয় নেতৃত্বের উদ্দেশ্যে এ কথা বললেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। তিনি বলেন, রাজ্যে নির্বাচিত এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটা সরকার রয়েছে। কিন্তু নেশার বিরুদ্ধে কোনরকম পদক্ষেপ গ্রহণ হচ্ছে না। এই দোষ কাকে দেবে বলে প্রশ্ন তুলে সুদীপ রায় বর্মন দাবি করেন পুলিশের একটা অংশ মাল কামাচ্ছে, বিজেপির একটা অংশ দেদার এই বাণিজ্যের সাথে জড়িত। তারা দলকে টাকা দিচ্ছে আবার নিজেদের পকেট ভরছে। আর মারা যাচ্ছে ছাত্র যুব সমাজ। ফলে সমাজ রসাতলে চলে যাচ্ছে। আরো বলেন, মানুষ ২৫ বছর বামফ্রন্টের সরকার দেখেছে, সাড়ে সাত বছর বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকার দেখেছে। মানুষ এখন কংগ্রেসকে সুযোগ দিতে চায়। কিন্তু অনেকে ভাবে যে কংগ্রেসের মধ্যে মারামারি চলছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বলতে হয় এটা গণতন্ত্রের হেলদি সাইন।

দলের পরিকল্পনা প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ছাত্র যুব সমাজকে নেশার বিরুদ্ধে সচেতন করতে এবং সঠিক দিশা দেখাতে আগামী দিন সাব্রুম থেকে আগরতলায় এবং চুরাইবাড়ি থেকে আগরতলা পর্যন্ত একটি পদযাত্রা আয়োজন করার। এবং এ পথযাত্রার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন বাজার হাটে এবং জনবহুল এলাকায় নেশার বিরুদ্ধে যুব সমাজকে সচেতন করার জন্য লিফলেট বিতরণ ও সভা করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন আরো বলেন, যারা বিভিন্ন ব্লক কংগ্রেস ও জেলা কংগ্রেসের নেতৃত্ব দেন তাদের উপর নির্ভর করবে আগামী দিন ত্রিপুরার ভবিষ্যৎ। ভারতীয় জনতা পার্টির পাশে নেই মানুষ, তাদের থেকে মানুষ মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে। এখন ভারতীয় জনতা পার্টি এটা ভালো করে বুঝতে পেরে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে বিভিন্ন ইস্যু সামনে নিয়ে আসছে। আর এই ধান্দা শুধু বিজেপির নয়, সহযোগী আইপিএফটি এবং তিপরা মথা দলেরও বলে জানান তিনি। আয়োজিত কর্মসূচিতে কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যনীয়।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য