Thursday, February 5, 2026
বাড়িরাজ্যরাজ্যে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আবারও উদ্বিগ্ন সুদীপ ও জিতেন্দ্র

রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আবারও উদ্বিগ্ন সুদীপ ও জিতেন্দ্র

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ১ জুলাই : বিশালগড় কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে মৃত্যু কয়েদি কৈলাস রাই -এর গোয়ালা বস্তি স্থিত বাড়িতে গেলেন বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী, সিডাব্লিউসি মেম্বার তথা বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা সহ কংগ্রেস ও সিপিআইএমের একটি প্রতিনিধি দল। বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান, আইনজীবীর নোটিশ ছিঁড়ে ফেলাটাকে কংগ্রেস সমর্থন করে না।

এর জন্য অভিযুক্ত যুবকের বাবাকে পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। তারপর অভিযুক্ত আত্মসমর্পণ করে, কিন্তু এনসিসি থানার পুলিশ তার বাবাকে ছাড়েনি। পরে আদালত অভিযুক্তের বাবাকে তিন দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠায়। তারপর জুডিশিয়াল কাস্টডিতে পাঠানো হয়। কিন্তু এই ঘটনার স্পষ্ট করে পুলিশকে যদি কৈলাস রাইয়ের পরিবার টাকা দিত তাহলে পুলিশ ছেড়ে দিত। এই এলাকাবাসীর অভিযোগ পুলিশ এখানে কিছু মাফিয়া পালছে। প্রত্যেক মাসে পুলিশকে হাপ্তা হিসেবে লাখ টাকা তুলে দেয় এলাকার ড্রাগ মাফিয়ারা। তিনি আরো বলেন, খাঁকি পোশাকে একাংশ পুলিশ মাফিয়ার ভূমিকায় রয়েছে। নিচু তলার কোর্ট হুকুমের গোলাম। রাজনৈতিক নেতৃত্ব ফোন করে ছাড়বেন না। চনোপুটি নেতারা ফোন করে ছাড়বেন না। এত বড় একটা খুনের ঘটনার পর মানবাধিকার কমিশন কোথায়? তাদের তো এখানে আসার কথা ছিল।

এত বড় নেক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত হবে না? ঘৃণা হয় এই পরিস্থিতির জন্য। কারণ অর্থের পিপাসু পুলিশ মানুষের নিরাপত্তা না দিয়ে সমাজদ্রোহীদের সাথে মিশে টাকা চাই। এবং সঙ্গেই আছে ত্রিপুরা হাইকোর্ট। কিন্তু কোন সমুঠো মামলা নিচ্ছে না। মানুষ কার কাছে বিচার চাইবে? তাই মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে বলে জানান তিনি। এদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন, প্রশাসনিক সর্বোচ্চ কেন্দ্রস্থল বিধানসভা এবং রাজ্যের উচ্চ আদালত হাইকোর্ট সংলগ্ন এলাকা গোয়ালা বস্তি। যেখান থেকে কৈলাস রাইকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা এতটা নেমে গেছে যে প্রকাশ্যে দিনের বেলার আলো আমাবস্যার রাতের চাইতেও বেশি অন্ধকার হয়ে গেলে যেমন তেমন অবস্থা। জানা গেছে এক আইনজীবী এলাকার গরিব মানুষদের হটিয়ে জমি দখল করার চক্রান্ত করছেন। তাই এলাকার বিহারী সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি সেই আইনজীবীর নোটিশ ছিঁড়ে ফেলে। এর জন্য ছেলেকে না পেয়ে বাবাকে থানায় ধরে নেওয়ার জন্য দেশের আইন বলেনি। পুলিশের এই ভূমিকা তীব্র নিন্দা জানাই জিতেন্দ্র চৌধুরী। এর তীব্র নিন্দা জানান তিনি।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য