স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৩০ জানুয়ারি : এইমস, নিউ দিল্লি ও ত্রিপুরা সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত মৌ অনুযায়ী অ্যাকশন টেকেন রির্পোট পর্যালোচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী ও এইমস,নিউ দিল্লি এর ডাইরেক্টরসহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা এআইআইএমএস, নয়াদিল্লি এবং ত্রিপুরা সরকার-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (MoU) এর প্রেক্ষিতে অ্যাকশন টেকেন রির্পোট মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা মহোদয় কর্তৃক এআইআইএমএস, নয়াদিল্লির অধ্যাপক এম. শ্রীনিবাস এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হয়েছে।
ত্রিপুরা সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর, ত্রিপুরা সরকারের পক্ষ থেকে জানাচ্ছে যে,, এইমস ,এইমস,নিউ দিল্লি ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের মধ্যে গত ১৭ অক্টোবর ২০২৫ স্বাক্ষরিত সমঝোতাস্মারক (মৌ)-এর পরিপ্রেক্ষিতে গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ সংক্রান্ত অ্যাশকশন টেকেন রির্পোট গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ প্রস্তুত ও উপস্থাপন করা হয়েছে। এই মৌ অনুসারে স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ক্ষেত্রে সংঘবদ্ধ কর্মীবাহিনী গঠন, আর্থিক ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আইটি-সক্ষম ব্যবস্থার উন্নয়নসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সংস্কার প্রক্রিয়াধীন ও আংশিকভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। জনবল নিয়োগও মানব সম্পদ উন্নয়ন ক্ষেত্রেবিদ্যমান সরকারি নিয়ম অনুযায়ী স্বাস্থ্য আধিকারিক ও ত্রিপুরা পাবিলিক কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে। ফ্যাকাল্টি ডেভেল পমেন্ট, প্রশিক্ষণও স্কিল আপগ্রেডেশনের জন্য এইমস-এরসঙ্গে সমন্বয়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চিকিৎসা শিক্ষা ও একাডেমিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন বিভাগ চালু, স্কিলডেভেলপমেন্ট কোর্স, সার্ভিসরুল সংশোধন এবং এইমস এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চিকিৎসা শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। হাসপাতাল পরিষেবা ও পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে জরুরি পরিষেবা, আইসিইউ সম্প্রসারণ, ওটি কার্যকরীকরণ, পিপিপি মডেলে আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন এবং সাপ্লাইচেইন ব্যবস্থার উন্নয়নের কাজ চালু রয়েছে। রোগী সন্তুষ্টি ও ডিজিটাল উদ্যোগের ক্ষেত্রে ‘মেরা হাসপাতাল’ অ্যাপ বিদ্যমান রয়েছে এবং এইমসের ‘সন্তুষ্ট’ অ্যাপ গ্রহণের বিষয়ে সমন্বয় করা হয়েছে, যাতে রোগীর মতামত সংগ্রহ ও পরিষেবার গুণগত মান আরও উন্নত করা যায়।
উল্লেখ করা যায়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর, ত্রিপুরা সরকারের নিউ দিল্লিস্থিত এইমস, সহযোগিতায় রাজ্যের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবার সামগ্রিক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সচিব কিরণ গিত্যে, স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ দেবশ্রী দেববর্মা, পরিবার কল্যাণ ও রোগ প্রতিরোধক অধিকারের অধিকর্তা ডাঃ অঞ্জন দাস, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা প্রফেসর (ডাঃ)এইচ.পি.শর্মা মহোদয়, যুগ্ম স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ রাজেশ অনিল আচার্য, আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ডাঃ বিধান গোস্বামী, আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর (ডাঃ) তপন মজুমদার।

