স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৪ জানুয়ারি : পাম্প অপারেটরের চাকুরি নিয়ে কাড়াকাড়িতে কৃষকদের মাথায় বাড়ি পড়ল। দীর্ঘ এক বছরের অধিক সময় ধরে সেচের জল মিলছে না কৃষকদের। অভিযোগ সোনামুড়ার বটতলির স্লুইস গেট সংলগ্ন এলাকার কৃষকদের। কৃষকদের অভিযোগ সরকারি জল সেচ থেকে বঞ্চিত সোনামুড়ার বটতলির স্লুইস গেট সংলগ্ন এলাকার বড়দোয়াল চরের ৫০ থেকে ৬০ জন কৃষক। নিজেদের গাঁটের টাকা খরচ করে পাম্প মেশিন ভাড়া করে গত এক বছর যাবৎ ২০০ থেকে ২৫০ কানি জমিতে ফসল উৎপাদন করে চলেছেন কৃষকরা। কিন্তু জলের অভাবে বহু ধান ও সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে পড়ে থেকে। কিছুক্ষত্রে জলের অভাবে মাঠেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ফসল।
অথচ এই বিষয়ে কোন হেলদোল নেই নলছড় পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারপার্সন সহ এলাকার বিধায়ক তথা পঞ্চায়েত দপ্তরের মন্ত্রীর। জলকষ্টে জর্জরিত কৃষকদের বক্তব্য বর্তমানে মেলাঘর – সোনামুড়ার মূল সড়কটি প্রশস্ত হয়। যার ফলে সড়কের পার্শবর্তী পুরনো স্লুইস গেটের অপর পাশে নুতন করে স্লুইস গেট তৈরী করা হচ্ছে। একারনে স্থানীয় জল সেচের মেশিন ঘরটি স্থানান্তর করতে হয় মন্নান মিয়ার জমিতে। সে সময় নলছড় পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারপার্সন স্বপন কুমার দাস সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা জমির মালিক মন্নানকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এই পাম্প অপারেটরের চাকরিটা তার ছেলেকে দেওয়া হবে। কিন্তু বাঁধ সাধে বর্তমান অপারেটর আতিকুল ইসলামের চাকরি আরো ১ বছর মেয়াদ পর্যন্ত থেকে যাওয়ায়। এই অবস্থায় নিজের জায়গায় স্থাপিত পাম্প মেশিন ঘর থেকে সেচের জন্য মেশিন চালাতে দিচ্ছেন না মন্নান। এই সমস্যার সমধানের জন্য কৃষকরা গত প্রায় ১ বছর যাবৎ এলাকার নেতাদের, এমনকি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারপার্সনকে বার বার জানিয়েও কোন সমাধানের পথ খোঁজে পাচ্ছেন না। যার ফলে এলাকার ৫০-৬০ জন কৃষকের অবস্থা দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে।

