স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২১ ডিসেম্বর : ২০২৩ নির্বাচনে বিজেপিকে মানুষ একটা ধাক্কা দেওয়ার মতো অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এই জায়গাটা বাঁচিয়ে দিয়েছে তিপরা মথা। এখন তিপরা মথাকে নিয়ে তিন দল মিলে সরকার পরিচালনা করছে। বর্তমানে রাজ্য এবং এডিসি একটা লুটের আড্ডা খানায় পরিণত করেছে বিজেপি এবং তিপরা মথা। তাদের মধ্যে এখন প্রতিযোগিতা চলছে কে কাকে ঠকিয়ে রাতারাতি বড় হতে পারে। এই পরিস্থিতির জন্য সরকারের উপর চাপ সৃষ্টির করতে পারে চর্ম শিল্পীরা। রবিবার ত্রিপুরা চর্ম শিল্পী সমিতির ১১ তম রাজ্য সম্মেলনে এ কথা বলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার।
ভানু ঘোষ স্মৃতিভবনে আয়োজিত এদিনের সম্মেলন থেকে তিনি আর বলেন, কেন্দ্র যে দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দেশ পরিচালনা করার চেষ্টা করছে সেই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে রাজ্য পরিচালনার চেষ্টা করছে আরএসএস নিয়ন্ত্রিত বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে ১৭ থেকে ১৮ ভাগ মানুষ তপশিলি অংশের। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো চর্ম শিল্পী। ত্রিপুরা রাজ্যে ১৮ থেকে ২০ হাজার পরিবার রয়েছে। চর্ম শিল্পীদের সম্মেলন থেকে বলেন যারা চর্ম শিল্পের সঙ্গে জড়িত তাদের মধ্যে অনেকে জুতো পালিশ এবং সেলাই করেন। এগুলি আর কতদিন করবেন আপনারা। এখন এগুলি থেকে বের হয়ে এসে নতুন জুতো তৈরি করার চেষ্টা করুন।
পূর্বতন বামফ্রন্ট সরকার চেষ্টা করেছিল রাজ্যে যাতে দ্রুত তৈরি করার জন্য টেনারাই স্থাপন করা যায়, বর্তমানে এই টেনারাই স্থাপন করার জন্য যাতে তারা সরকারের কাছে দাবি উত্থাপন করেন, একই সঙ্গে যাদের বাড়ি ঘর নেই তারা যাতে সরকারের কাছে বাড়িঘর, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য দাবি করেন তার জন্য আহ্বান জানান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তিনি আরো বলেন এর চর্ম শিল্পীদের যে সমস্ত সমস্যাগুলো রয়েছে সেগুলি নিয়ে তারা যাতে ছোট পরিসরে হলেও জমায়েত হয়ে আন্দোলনে নামে। তাহলে যারা ত্রিপুরা চর্মশিল্প সমিতির সঙ্গে নেই তারও আগামী দিন ত্রিপুরা চর্ম শিল্প সমিতির সঙ্গে আসবে। তাহলে সংগঠনের পরিধি বাড়বে বলে আশা ব্যক্ত করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। আয়োজিত সম্মেলনে এদিন এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নেতৃত্ব সুধন দাস, ঝর্ণা দাস বৈদ্য সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

