স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২০ নভেম্বর : চোরাইবাড়ির সহ বিভিন্ন থানার বড়বাবু থেকে মেজ বাবুদের ম্যানেজ করে বহিঃরাজ্যে এক কোটি ১৫ লক্ষ টাকার শুকনো গাঁজা পাচার করার চেষ্টা। কিন্তু আসাম পুলিশের হাতে আটক ২ কুইন্টাল ৫৫ কেজি গাঁজা বুঝাই গাড়ি। আসাম পুলিশ গাড়িটি আটক করেছে কাঁঠালতলী এলাকার থেকে। অভিযুক্ত পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে গেছে। মাত্র কয়েকদিন আগেই বাজারিছড়ার কাঁঠালতলির ধরা পড়েছিল ত্রিপুরা থেকে যাওয়া গাড়িটি থেকে আড়াই কোটি টাকার গাঁজা।
এর মধ্যে পাথারকান্দি থানার পুলিশের আবারো সাফল্য সামনে আসে। জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় ত্রিপুরা থেকে TR 05 0465 নম্বরের একটি গাড়ি দ্রুত গতিতে ত্রিপুরা সীমান্ত পেরিয়ে বিকল্প পথে পাথারকান্দি হয়ে অন্যত্র পৌছার প্রচেষ্টায় ছিল। গাড়িটি প্রথমে কাঁঠালতলিতে পৌছে পুলিশের সিগন্যাল অমান্য করে বেপরোয়া ভাবে পুলিশের লাগানো ব্যরিকেড ভেঙ্গে কুকিতল অভিমুখে এগোতে থাকে।
এতে কাঁঠালতলি পুলিশ বিষয়টি সোনাখিরা পুলিশকে অবগত করে।ততক্ষনে গাড়িটি সোনাখিরায় পৌছে অবস্থা বেগতিক দেখে ফাঁড়ি পথে কোথায় নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। খবর পেয়ে দলবল নিয়ে তদন্তে নামেন পাথারকান্দি থানার পুলিশ। রাত প্রায় সাড়ে দশটা নাগাদ উক্ত গাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় চাঁন্দখিরা-পাথারকন্দি রোড থেকে উদ্ধার হয়। এর আগে গাড়ি ফেলে গা ঢাকা দিতে সক্ষম হয় গাড়ি চালক। পরে গাড়িটি নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ।বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ গাড়িটির ভিতরে তল্লাশি করলে দুই কুইন্টাল পচান্ন কেজি শুকনো গাঁজা বাজেয়াপ্ত হয়। পাশাপাশি দুটি ভুয়া নম্বর প্লেটও উদ্ধার হয়। বাজেয়াপ্ত গাঁজার কালোবাজারী মুল্য অনুমানিক এক কোটি ১৫ লাখ টাকার মত হবে বলে পুলিশ সুত্র জানা গেছে।এতে প্রশ্ন উঠছে ত্রিপুরা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। এতে নেশা মুক্ত ত্রিপুরার ভবিষ্যৎ যে কতটা অন্ধকার, কিছু পুলিশের ভূমিকায় এটাই প্রমাণ। উত্তর ত্রিপুরা জেলা এবং ঊনকোটি জেলার অধিকাংশ থানা জাতীয় সড়কের পাশে। থানার সামনে রয়েছে নাকা পয়েন্ট, পুলিশ গাড়ি গুলি তল্লাশি চালিয়ে যাতায়াত করার জন্য দেয়। সে জায়গায় কিভাবে গাড়িটি পার পেয়ে আসাম গেল সেটা বুঝতে কারোর অসুবিধা নেই। এগুলি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত হলেই বের হয়ে আসবে কারা সেসব রাঘব বোয়াল।

