স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১১ অক্টোবর :দুয়ারে কড়া নাড়ছে আলোর উৎসব দীপাবলি। এদিন প্রদীপের আলোয় আলোকিত হবে চারপাশ। এই প্রদীপের আলো না জ্বললে মনে আলোর উৎসবের আমেজ আসে না। এর সাথে জড়িয়ে আছে অনেক ঐতিহ্য। সনাতন ধর্ম মনে করে এই দিন মত্যে দেবতারা আগমন করেন। দেবতাকে গৃহে বরণ করে নিতে প্রদীপ জ্বালানো হয়। একই সাথে এই প্রদীপের সাথে লুকিয়ে আছে ইতিহাস। অযোধ্যার রাজপুত্র রাম ১৪ বছরের বনবাস শেষে তার স্ত্রী সীতা ও ভাই লক্ষ্মণকে নিয়ে ঘরে ফিরেছিলেন। রাবণকে পরাজিত করে রামের এই বিজয়কে স্বাগত জানাতে অযোধ্যার লোকেরা পথে প্রদীপ জ্বালিয়েছিলেন।
এই প্রদীপ শুধু শুধু পথই আলোকিত করেনি, বরং অশুভ শক্তির উপর শুভ শক্তির এবং অন্ধকারের উপর আলোর জয়কেও প্রতীকায়িত করেছিল। তাই প্রদীপের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। বর্তমানে প্রদীপের চাহিদা আছে, কিন্তু বাজারে মাটির প্রদীপ বিক্রি করে সঠিক দাম পাচ্ছেন না মৃৎশিল্পীরা। রাজধানীর নন্দননগর এলাকা মৃৎশিল্পীদের জন্য বেশ পরিচিত। প্রতিবছর দীপাবলীর আগে মৃৎশিল্পীদের হাতে তৈরি প্রদীপ শহর এবং শহরতলীতে বিক্রি হয়। এবারও দীপাবলি উপলক্ষে শিল্পীরা প্রচুর প্রদীপ তৈরি করেছেন। কিন্তু তাদের আক্ষেপ একটাই, দীপাবলিতে প্রদীপের ভালো চাহিদা থাকা সত্ত্বেও সঠিক দাম পাওয়া যায় না। এবার অন্তত এই আক্ষেপ যেন কাটিয়ে উঠতে পারেন সেই আশায় আছেন তারা।

