Thursday, February 5, 2026
বাড়িরাজ্যআসন্ন বিধানসভা অধিবেশনে চাকরির নিশ্চয়তা চাইলো অনিয়মিত পাম্প অপারেটররা

আসন্ন বিধানসভা অধিবেশনে চাকরির নিশ্চয়তা চাইলো অনিয়মিত পাম্প অপারেটররা

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ১৫ সেপ্টেম্বর : আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর বসতে চলেছে ত্রিপুরা বিধানসভা অধিবেশন। আসন্ন অধিবেশনে জন্য কোন একটা ব্যবস্থা করবে বলে আশাবাদী ত্রিপুরা অনিয়মিত ডি ডব্লিউ এস পাম্প অপারেটর সংঘ। সংগঠনের নেতৃত্ব সোমবার আগরতলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্যে দিয়ে বলেন, ২০১৮ সালে বর্তমান সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তাদের নিয়মিত করণ করা হবে। পরবর্তী সময়ে তাদের মজুরি মাত্র ৩০০ টাকা দিতে হয়েছে। কিন্তু নিয়মিতকরণের দাবি নিয়ে যতবারই তারা বর্তমান সরকারের মন্ত্রীদের দ্বারস্থ হয়েছেন ততবারই তাদের বলা হয়েছে পূবর্তন সরকার যে অবস্থায় রেখে গেছে সেই অবস্থায় থেকে তাদের জন্য কোন কিছু করা অত্যন্ত কঠিন। তারপরেও সরকার চেষ্টা করছে তাদের জন্য কোন কিছু করার।

এই আশার বাণী পেয়ে বেশ কয়েক বছর কেটে গেছে। এখন বুক ফাটে মুখ ফাটে না অবস্থায় দাঁড়িয়ে তারা বলছেন আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর বিধানসভা অধিবেশনে তাদের জন্য কোন কিছু করার চেষ্টা করবে সরকার। তারা আরো আশাবাদী, সরকার তাদের হতাশা হতে দেবে না। সরকারের প্রতি তারা পুরোপুরি আশাবাদী। তারা আরো জানিয়েছেন, সংগঠনের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র শাসক দলের ৩২ জন্য বিধায়কের হাতেই দাবি সনদ তুলে দিচ্ছেন। যাতে এ বিষয়টি উদযাপন করা হয়। পাশাপাশি রাজ্যের চারটি জেলায় সম্মেলনের সময় স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ত্রীদের হাতে দাবী সনদ তুলে দেওয়া হয়েছে। অথচ এখন পর্যন্ত সেই ভাবে সদুত্তর পাচ্ছেন না। আর বলেন বর্তমানে তারা যে মজুরি পাচ্ছেন সেটা দিয়ে সংসার পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। তাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। আরো জানান, বর্তমান সরকারের অটল জল ধারা, জল জীবন মিশন, হর ঘর নল প্রকল্প গুলির জন্য কাজ বেড়ে গেছে। আগে দৈনিক তিন থেকে চার ঘন্টা ডিউটি করলে যথেষ্ট ছিল, বর্তমানে প্রত্যেক এলাকায় দেড় থেকে দুই শতাধিক জল সংযোগ বেড়ে যাওয়ায় ১০ থেকে ১২ ঘন্টাও ডিউটি করতে হচ্ছে।

আরো আশ্চর্যের বিষয় হলো যারা আই.আর.পি-র কাজ করে তাদের কয়েকশো টাকা বেশি মজুরিতে আরো অধিক সময় কাজ করতে হয়। বিদ্যুতের সমস্যায় তাদের ভুগতে হয়। বিদ্যুৎ না থাকলে ঘন্টার পর ঘন্টা অপারেটরদের বসে থাকতে হয়। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো, এখনো তাদের মাত্র সাত হাজার টাকা বেতন দেওয়া হয়। দুর্গাপূজা বোনাস মাত্র তাদের ১০০০ টাকা দেওয়া হয়। এনওসি-র মাধ্যমে তাদের এখনো বেতন হয়। সুষ্ঠু কোন নিয়োগ নীতি নেই। এমনকি তাদের চাকরির অর্থ দপ্তরের অনুমোদন নেই। দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, তাদের কোন ছুটি নেই। এই সমস্যা গুলি দেখার জন্য দাবি জানান।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য