স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ১৪ সেপ্টেম্বর: রাজ্যে সাইবার ক্রাইমের অফিস, আধুনিক থানা সহ বিভিন্ন ভাগে ত্রিপুরা পুলিশকে ঢেলে সাজানো হলেও নীট ফল শূন্য। রাজ্যের বড়সড় প্রতারক চক্র একের পর এক থাবা বসিয়ে চলেছে। অথচ কোন ঘটনার কিনারা করতে পারছে না রাজ্য পুলিশের বিভিন্ন শাখাগুলি। এর মধ্যে আবার প্রতারকদের ফাঁদে পড়লো বিশালগড় অফিস টিলা এলাকার স্বাস্থ্যকর্মী অভিজিৎ দত্ত। রবিবার দুপুরে বিশালগড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্বাস্থ্যকর্মী। বেশ কয়েকদিন যাবৎ সিপাহীজলা জেলায় হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপের লিংকে সর্বস্বান্ত হয়ে যাচ্ছে সাধারণ জনগণ। সরকারি দপ্তরে রোড ট্রাফিক চালান অ্যাপস লিংক মানুষের হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে তাদেরকে সর্বস্বান্ত করে দিচ্ছে প্রতারক চক্র।
সেই লিংকে ক্লিক করলে ব্যাংক থেকে সমস্ত টাকা কেটে নিচ্ছে প্রতারক চক্র। ইতিমধ্যেই প্রতারিত ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে বিশালগড় থানায় একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। বিশালগড় থানার ওসি বিজয় দাস প্রতারক চক্রটিকে জালে তুলতে জোর কদমে চেষ্টা করলেও প্রতারক চক্রের টিকির নাগালও পাচ্ছে না। স্বাস্থ্যকর্মী অভিজিৎ দত্তের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে অন্যান্য বন্ধু আত্মীয়-স্বজনের কাছে টাকার দেওয়া অনুরোধ পাঠাচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে তড়িঘড়ি বিশালগড় থানায় পুলিশের দারস্থ হয় অভিজিৎ দত্ত। এখন দেখার পুলিশ এই চক্রটিকে জালে তুলতে পারে কিনা। এই প্রতারক চক্রকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই গোটা মহাকুমা জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়ে রয়েছে। এ ধরনের অপরাধমূলক ঘটনা মানুষকে চিন্তায় ফেলছে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যাংক একাউন্ট খালি হয়ে যাচ্ছে। রাজ্য পুলিশের আরও বেশি সক্রিয় হওয়ার প্রয়োজন। প্রয়োজনে রাজ্য পুলিশের বিশেষ শাখায় যেসব কর্মী দায়িত্বে রয়েছেন তাদের আরও বেশি প্রশিক্ষণের প্রয়োজন। কারণ তারা পারদর্শী নাহলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতারণার ঘটনাগুলির কোন কুল কিনারা করতে পারবে না বলে মনে পড়ছে সাধারণ নাগরিক।

