Thursday, February 5, 2026
বাড়িরাজ্যউচ্ছেদের নোটিশ পেয়ে জেলা শাসকের দ্বারস্থ উনিশ পরিবার

উচ্ছেদের নোটিশ পেয়ে জেলা শাসকের দ্বারস্থ উনিশ পরিবার

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১২ আগস্ট : দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে আগরতলা পুর নিগমের অন্তর্গত ৩৬ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম জয়পুর এলাকায় সরকারি জমিতে বসবাস করছে প্রায় ১৯ টি পরিবার। মঙ্গলবার তারা পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসকের দ্বারস্থ হন। এই পরিবার গুলি প্রায় ৪০-৪৫ বছর ধরে পুর কর ও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে বসবাস করছেন। পরিবারের অধিকাংশ সদস্য দিনমজুর বা গৃহ পরিচারিকার কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু প্রশাসনিক মৌখিক নির্দেশ পাওয়ার পর তাদের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে।

 সাথে সাথে এ বিষয় নিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সাথে কথা বলা হলে তারা বিকল্প উদ্যোগ নিয়ে চিন্তা ভাবনা করবেন বলে আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু তারপর চার মাসের মধ্যে আবার বাড়িতে নোটিশ পাঠিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয় সাত দিনের মধ্যে যাতে তারা জমি ছেড়ে দেয়। না হলে বুলডোজার দিয়ে বাড়িঘর ভেঙে দেবে। তাই আজকে জেলা শাসকের কাছে এসে দাবি জানানো হয়েছে যাতে তাদের জন্য বিকল্প বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়। আর না হলে তাদের মেরে জমি থেকে উচ্ছেদ করে দেওয়া হোক। আরো বলেন তারা বাংলাদেশি নয়, সরকারি সমস্ত কাগজপত্র তাদের কাছে আছে। তাই নদী বাঁচাতে গিয়ে এভাবে জোর জবরদস্তি উচ্ছেদ করা চলবে না। তারা প্রশ্ন তুলে বলেন, ভোট দিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠিত করেছে। কিন্তু কেন এখন তাদের সহযোগিতার পরিবর্তে এভাবে উচ্ছেদ হতে হবে?

সংবাদ মাধ্যমকে তারা আরো জানিয়েছেন, হাওড়া নদীর কাজ করতে বিগত দিনে যেসব পরিবারকে নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল তাদের জন্য আগে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে, তাহলে কেন তাদের জন্য পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করবে না সরকার? জোর জবরদস্তি উচ্ছেদ করলে চলবে না। কারণ জমি কেনার মতো আর্থিক সামর্থ্য নেই বলে তারা জানান। এর আগে এলাকার কর্পোরেটর ও বিধায়কের কাছেও সাহায্যের জন্য করেছেন তারা। কিন্তু সময়সীমা প্রায় শেষ হয়ে আসায় তারা সরাসরি জেলাশাসকের দ্বারস্থ হন। পরিবারগুলির একটাই দাবি—তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা অবশ্যই করা হোক।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য