স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১০ আগস্ট : কেন্দ্রীয় সরকার বর্তমানে সরকারি কর্মচারীদের ৫৫ শতাংশ ডিএ প্রদান করছে। অন্যান্য রাজ্যও কেন্দ্রীয় হারে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ প্রদান করছে। ত্রিপুরা একমাত্র রাজ্য যেখানে সরকারি কর্মচারীদের ৩৩ শতাংশ ডিএ প্রদান করা হয়েছে। ২২ শতাংশ ডিএ এখনো বকেয়া রয়েছে। মানিক সরকার মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালিন সময় সর্বোচ্চ ডিএ বকেয়া ছিল। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই অভিযোগ করেন প্রাক্তন সাংসদ অজয় বিশ্বাস। তিনি আরও বলেন ত্রিপুরা রাজে টেট শিক্ষকদের ৫ বছরের জন্য স্থায়ী বেতনে চাকুরি করতে হয়। অর্থাৎ তারা পে স্কেল অনুযায়ী যে টাকা পাওয়ার কথা তাঁর অর্ধেক তারা পাবে।
কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার পে স্কেল অনুযায়ী টাকা প্রদান করে। সেই টাকা থেকে অর্ধেক টাকা টেট শিক্ষকদের প্রদান করা হয়। বাকি টাকা অন্য খাতে ব্যয় করা হয়। একমাত্র ত্রিপুরা রাজ্যে এমনটা করা হয়। এতে করে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে টেট শিক্ষকরা। অর্থনীতির ক্ষেত্রে ত্রিপুরা রাজ্য উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মধ্যে পিছিয়ে গেছে। সরকারি কর্মচারীরা কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পেলে ত্রিপুরা ভারতবর্ষের মধ্যে একটা অন্যতম স্থানে চলে যেত। কারন কেন্দ্রীয় হারে সরকারি কর্মচারীরা ডিএ পেলে সেই টাকা বাজারে যাবে। বাজার চাঙ্গা হবে। বেকারদের কর্মসংস্থান হবে। তাই তিনি রাজ্যের অর্থ দপ্তরের সচিবের নিকট চিঠি প্রেরন করেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার জন্য।

