স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ১৬ জুলাই : গত কয়েকদিনের নানা অভিযোগের পর নড়েচড়ে বসলো বিদ্যুৎ নিগম কর্তৃপক্ষ। বিগত দিনে যারা বাড়ি বাড়ি মিটার রিডিং নিতে এসে গ্রাহকদের সাথে কারচুপিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মিটার রিডিং -এর দায়িত্বে থাকা এজেন্সিকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর খোয়াইয়ে এক ব্যক্তির বাড়িতে ৮২ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল আসার পর বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যা বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন লাল নাথের দৃষ্টিতে আসে।
সাথে সাথে তিনি ইঞ্জিনিয়ারের একটি প্রতিনিধি দলকে সেই ব্যক্তির বাড়িতে পাঠান। তারপরে ইঞ্জিনিয়াররা বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে পায় সেই ব্যক্তির বাড়িতে স্মার্ট মিটার লাগানোর আগে বিদ্যুৎ ইউনিট রিডার দ্বারা কারচুপি করে বকেয়া রাখা হয়েছিল। যার কারণে সব সময় কম বিদ্যুৎ বিল দিয়ে পার পেয়ে যান সে ব্যক্তি। কিন্তু সেই বিদ্যুৎ ইউনিটের মূল্য বকেয়া থেকে বর্তমানে বিদ্যুৎ বিল ৮০ হাজার টাকার অধিক হয়েছে। বর্তমানে স্মার্ট মিটার লাগানোর পর স্বচ্ছ বিদ্যুৎ বিল সামনে আসতেই চোখ ছানাবড়া হয়ে যায় সেই গ্রাহকের। বিষয়টি অবগত হতেই মন্ত্রী আর দেরি না করে বিদ্যুৎ নিগম দ্বারা করা নির্দেশিকা জারি করতে বাধ্য হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাকে শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়। যেসব রিডাররা কারচুপিতে জড়িয়ে ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
পাশাপাশি স্মার্ট মিটার নিয়ে কোন অভিযোগ গ্রাহকদের কাছ থেকে উঠে আসলে সেটা তদন্ত করার জন্য টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। একই সাথে একটি হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার আগামী দুদিনের মধ্যে বিদ্যুৎ নিগম থেকে জারি করা হবে। স্মার্ট মিটার নিয়ে কোন ধরনের অভিযোগ থাকলে সেটা এই হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে জানাতে পারবেন গ্রাহকরা। সাত দিনের মধ্যে গ্রাহকদের অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানা যায়। উল্লেখ্য, স্মার্ট মিটারে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসছে না, তবে বিদ্যুৎ মাশুল বৃদ্ধি করেছে বর্তমান সরকার। যা গোটা রাজ্যবাসী জন্ম গুড গভর্নেন্সের উপহার! এমনটাই মনে করছে আমজনতা।

