স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৫ ফেব্রুয়ারি :ধারাবাহিক ভাবে আগরতলা পুর নিগমের উচ্ছেদ অভিযান জারি রয়েছে। আগেই আগরতলা পুর নিগমের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল যারা অবৈধ ভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা চালিয়ে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে অভিযান শুরু করা হবে। সেই ঘোষণা মোতাবেক ৩ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে শুরু করা হয় অভিযান। বুধবার দিনের পর রাতেও চলে অভিযান। সেই অভিযান বৃহস্পতিবারও জারি রয়েছে।
এইদিন পোষ্ট অফিস চৌমুহনী সহ হরিগঙ্গা বসাক রোডে পুনঃরায় অভিযান চালানো হয়। যে সকল ব্যবসায়ী অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করছিল। তাদেরকে এইদিন উচ্ছেদ করা হয়। পুর নিগমের টাস্ক ফোর্স এইদিনের এই অভিযান চালায়। উপস্থিত ছিলেন পুর নিগমের আধিকারিকরা। এদিকে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা বলেন গোটা দেশের বড় বড় শহরগুলোতে ফুটপাতকে ব্যবহার করে এ ধরনের ব্যবসায়ীরা জীবনযাপন করে থাকেন। কিন্তু পরিকল্পনা ছাড়া সরকার হকারের সংখ্যা বেড়ে গেছে বলে জনমতের চাপে হঠাৎ করে উচ্ছেদ কর্মসূচি এবং এর মধ্য দিয়ে বাহবা কুড়িয়ে নেওয়া কোনভাবেই কাম্য নয়। ভেন্ডার আইন অনুযায়ী ব্যবসায়ীদের যেভাবে ব্যবসা করার কথা সেই আইনের কোন বালাই নেই। কিন্তু পুরো নিগম নিজেই সেই আইন ভেঙে চলেছে। এই বিষয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে রাজ্যের বিশিষ্ট আইনজীবী পুরুষোত্তম রায় বর্মন বললেন তিনি একটি সাংবাদিক সম্মেলন দেখেছিলেন মেয়রের। সেখানে সাংবাদিক সম্মেলনে মেয়র বলেছিলেন কাভার ড্রেনের উপর গাড়ি রাখা যাবে না। কিন্তু ফায়ার ব্রিগেড চৌমুহনী থেকে আইজিএম এর দিকে আসার সময় তিনি দেখতে পান রাস্তায় কাভার ড্রেনের উপর আগরতলা পুর নিগমের প্রায় ১৫ টি আবর্জনার গাড়ি বিশ্রাম নিচ্ছে। এই হচ্ছে সরকারের দ্বিচারিতা।
তিনি আরো বলেন আগরতলা পুর নিগমই আগরতলা শহরকে বেদখল করে রেখেছে। স্মার্ট সিটির নামে আগরতলা শহরকে পথচারীদের হাত থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে। পথচারীরা হাটতে পারেন না যত্রতত্র খোড়া খুড়ি। এখানেই শেষ নয়, শহর অবরোধ মুক্ত, যানজট মুক্ত করার নামে বেকার হকারদের পেটে লাথি মারার কাজটা তারা ভালই জানে। এদিকে আইনজীবী পুরুষোত্তম রায় বর্মন আরো বলেন ৫ বছর স্থির বেতনে নিয়োগ সংক্রান্ত ত্রিপুরা উচ্চ আদালতের একটি রায়ের বিরুদ্ধে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন করেছে রাজ্য সরকার।

