Wednesday, June 29, 2022
বাড়িরাজ্যবিজেপি'র অপকর্ম এবং পাপের কারণে তিনটি কেন্দ্রে অকালবোধনে : জিতেন

বিজেপি’র অপকর্ম এবং পাপের কারণে তিনটি কেন্দ্রে অকালবোধনে : জিতেন

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৬ জুন : রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা নেই, কাজ হারানোর আতঙ্ক, জীবন হারানোর আতঙ্ক, মানুষের বাড়িঘর থাকবে কিনা তা নিয়ে আতঙ্ক। সর্বত্র এক আতঙ্কময় পরিস্থিতি কায়েম করছে বিজেপি সরকারের আমলে। এখন মানুষ ৫২ মাসে এই বিজেপি ভাইরাস থেকে মুক্তি চাইছে। তাই সেই বিজেপি’কে একটা ভোট না দেওয়ার আহ্বান জিতেন চৌধুরীর।

 বৃহস্পতিবার ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিআইএম মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণা মজুমদারের সমর্থনে জিবি বাজার এলাকা থেকে এক পদযাত্রা পথ সভায় বক্তব্য রেখে এ কথা বলেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী। তিনি বলেন, পূর্বতন সরকারের সময় এই কেন্দ্রে বিরোধীদলের সদস্য থাকলেও তাদের মতামত মর্যাদার সাথে গ্রহণ করা হয়েছে। শুধু আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রে নয়, শহরের বনমালী পুর, বড়দোয়ালি সহ অন্যান্য কেন্দ্রেও বামপন্থী প্রার্থীরা জয়ী হতে না পারলেও বিরোধী দলের সদস্যদের কথা শোনা হতো। এবং এ বিধানসভা এলাকায় গুলিতেও উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে কোনদিন বামফ্রন্ট সরকার বিভাজন তৈরি করেনি। অন্যান্য কেন্দ্রগুলির মতোই সমস্ত সুযোগ সুবিধা দেওয়া হতো এই বিধানসভা কেন্দ্র গুলিতে।

কিন্তু সেসব কেন্দ্রের যারা তৎকালীন বিরোধী সদস্য ছিলেন, তারাই ত্রিপুরা রাজ্যে খাল কেটে কুমির নিয়ে এসেছে। অর্থাৎ ভারতীয় জনতা পার্টিকে ত্রিপুরা রাজ্যে ডেকে এনেছেন। আর আজকে বলছে তারা কুমির তারা তাড়াবে। কিন্তু তাদের দিয়ে কি কমির তাড়ানো যাবে ? এবং রাজ্যে অর্থনৈতিক অবস্থা ও জনগণের যে ক্ষতি হয়েছে তার সমাধান কি তারা করতে পারবে, তা নিয়ে নাম না করে সুদীপ রায় বর্মন এবং আশীষ কুমার সাহার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুললেন জিতেন চৌধুরী।

বিজেপি’র অপকর্ম এবং পাপের কারণে ত্রিপুরার তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রে অকালবোধনে সামিল হতে হচ্ছে জনগনকে। এতে জনগণের টাকা ব্যয় হবে। উন্নয়ন ব্যাহত হবে। এবং উপনির্বাচন ছাড়া যেসব বিধানসভা কেন্দ্রগুলি রয়েছে, সেসব এলাকার মানুষের ক্ষতি হবে। ২৯৯ টি প্রতিশ্রুতি দিয়ে সরকারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু প্রতিশ্রুতি পালন না হওয়ায় দলের অভ্যন্তরে এবং বিধানসভা দ্বন্দ্ব হয়েছে। এবং দীর্ঘ ৫২ মাস ত্রিপুরাকে লুটেপুটে খাওয়া হয়েছে। আর এর ভাগাভাগি নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ঝামেলা। আর এর পরিপ্রেক্ষিতে এই ভোট। কিন্তু এর খেসারত দিতে হবে জনগনকে বলে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন জিতেন চৌধুরী। আয়োজিত কর্মসূচিতে এদিন উপস্থিত ছিলেন মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণা মজুমদারের সহ অন্যান্য কর্মী সমর্থকরা।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য