Wednesday, July 24, 2024
বাড়িরাজ্যনদীর ভাঙ্গন রোধের দাবিতে সড়ক অবরোধ, ডিসিএম-এর আশ্বাসে অবরোধ মুক্ত

নদীর ভাঙ্গন রোধের দাবিতে সড়ক অবরোধ, ডিসিএম-এর আশ্বাসে অবরোধ মুক্ত

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ৫ জুলাই : নদীর পার ভাঙ্গন রোধের দাবিতে সড়ক অবরোধ এলাকাবাসীদের। ঘটনা সোনামুড়া-মেলাঘর সড়কের ইন্দিরা নগর এলাকায়। ঘটনার বিবরণে জানা যায় মেলাঘর পুর পরিষদের অন্তর্গত ইন্দিরানগর ৮ নং ওয়ার্ড এলাকায় গোমতী নদীর পাড়ে বেশকিছু পরিবার রয়েছে। নদীর ভাঙ্গনের ফলে ঐ পরিবার গুলি বর্তমানে আতঙ্কিত। যে কোন সময় এই সকল পরিবারের বাড়ি ঘর নদী গর্ভে চলে যেতে পাড়ে। এলাকাবাসিরা বাম আমল থেকে নদীর ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে আসছে।

কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এইদিকে নদীর ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে শুক্রবার এলাকার লোকজন সোনামুড়া-মেলাঘর সড়ক অবরোধে সামিল হয়। এলাকাবাসিদের দাবি তারা যেন শান্তিমতে নিরাপদে বসবাস করতে পাড়ে সেই ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক। কারন তাদের পক্ষে অন্যত্র জায়গা ক্রয় করে ঘর নির্মাণ করা সম্ভব নয়। তাই নদীর ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এইদিকে সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে প্রথমে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় মেলাঘর থানার পুলিশ। পুলিশ সড়ক অবরোধকারীদের সাথে কথা বলে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করতে ব্যর্থ হয়। পরবর্তী সময় মহকুমা শাসকের অফিস থেকে অবরোধস্থলে ছুটে আসেন এক ডিসিএম। তিনি কথা বলে সড়ক অবরোধকারিদের সাথে। ডিসিএম জানান এলাকাবাসিদের দাবি মতো গোমতী নদীর ভাঙ্গন রুখতে গেলে যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন সেই পরিমাণ অর্থ জল সম্পদ বিকাশ দপ্তরে নেই। তাই নদীর ভাঙ্গন রোধের জন্য পৃথক ভাবে একটা প্রজেক্ট তৈরি করে রাজ্য সরকারের নিকট প্রেরন করতে হবে।

রাজ্য সরকার সেই প্রজেক্টের অনুমোদন দিলে তবেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব হবে। তাই তিনি এলাকাবাসিদের বলেছেন শনিবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা ও সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব মেলাঘরে আসবেন, এলাকাবাসিরা চাইলে তাদের দাবি লিখিত আকারে মুখ্যমন্ত্রীর নিকট জানাতে পাড়ে। পাশাপাশি জল সম্পদ বিকাশ দপ্তরের আধিকারিককে সাথে নিয়ে এইদিন তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন। এবং একটি রিপোর্ট তৈরি করে মহকুমা শাসকের নিকট জমা দেবেন। এইদিন ডিসিএম-এর আশ্বাসে শেষ পর্যন্ত সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয় এলাকাবাসীরা। তবে এইদিন সড়ক অবরোধের ফলে রাস্তার দুই পাশে আটকে পরে বহু ছোট বড় যান বাহন। ভোগান্তির শিকার হতে হয় এলাকাবাসীদের।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য