Tuesday, July 23, 2024
বাড়িরাজ্যআনুমানিক ২ কোটি টাকার ব্রাউন সুগার সহ দুই নেশাকারবারিকে আটক করলো পুলিশ

আনুমানিক ২ কোটি টাকার ব্রাউন সুগার সহ দুই নেশাকারবারিকে আটক করলো পুলিশ

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২৬ জুন : নেশার কড়াল গ্রাসে ধংস হয়ে যাচ্ছে যুব সমাজ। গন্ধ হীন নেশার জন্য উঠতি বয়সের যুবক যুবতীরা বর্তমানে বেছে নিয়েছে ব্রাউন সুগার। অতি সহজে হাত বাড়ালেই উঠতি বয়সের যুবক যুবতীরা পেয়ে যাচ্ছে ব্রাউন সুগার। নেশাকারবারিরা তাদের এজেন্টকে বসিয়ে রেখেছে জায়গায় জায়গায়। পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা, যুবক যুবতীরারাও বর্তমানে ব্রাউন সুগার বিক্রয় ও সেবনের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। শিরা পথে নেশা করার ফলে উঠতি বয়সের যুবক যুবতীরা এইডস-এ আক্রান্ত হচ্ছে।

যার কারনে রাজ্যে এইডস আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা রীতিমতো উদ্বেগের বিষয়। নেশায় বিভোর হয়ে অসুরক্ষিত যৌন সঙ্গমের কারনেও অনেকে এইডস-এ আক্রান্ত হচ্ছে। রাজ্য সরকার নেশা মুক্ত ত্রিপুরা গড়ার স্লোগান দিলেও কিছুতেই ত্রিপুরা রাজ্যকে নেশা মুক্ত করা যাচ্ছে না। নেশা মুক্ত হওয়ার জায়গায় ত্রিপুরা রাজ্য ক্রমশ যেন নেশা যুক্ত রাজ্যে পরিণত হচ্ছে। আরক্ষা কর্মীরা প্রায় সময় নেশা কারবারিকে আটক করলেও তাদের পাণ্ডাদের আটক করতে ব্যর্থ। অর্থাৎ রাঘব বোয়ালরা সর্বদা পুলিশের ধরা ছুয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। যার কারণে ত্রিপুরা রাজ্যকে নেশা মুক্ত করা যাচ্ছে না। উত্তর জেলা আরক্ষা দপ্তর প্রায় প্রতিদিন উদ্ধার করছে নেশা সামগ্রী। আটক করছে নেশা কারবারি। বুধবারও উত্তর জেলা পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ধর্মনগর থানার পুলিশ প্রায় ২ কোটি টাকার ব্রাউন সুগার উদ্ধার করে। উত্তর জেলার পুলিশ সুপার জানান এইদিন ধর্মনগর থানাধীন যুবরাজনগর বিধানসভার কৃষ্ণপুর স্কুলের সামনে একটি নাম্বার বিহীন বুলেরো গারিকে আটক করা হয়। গাড়িটিতে তল্লাসি চালানোর পর গাড়ির গোপন চেম্বার থেকে উদ্ধার হয় ১৭ প্যাকেটে ২০০ গ্রাম ব্রাউন সুগার। একই সাথে আটক করা হয়েছে গাড়িতে থাকা দুই নেশাকারবারিকে। ধৃতদের নাম জাবেদ আলি ও জয়দুল হোসেন। তাদের বাড়ি সোনামুড়া মহকুমার বক্সনগরে। উদ্ধার হওয়া ব্রাউন সুগারের কালোবাজারি মূল্য আনুমানিক ২ কোটি টাকা। ধৃত দুই নেশাকারবারি মিজোরাম থেকে গাড়িতে করে এই ব্রাউন সুগার নিয়ে আসছিল জানা গেছে তেলিয়ামুড়া কিংবা খোয়াই গিয়ে তারা ব্রাউন সুগার গুলি অপর নেশাকারবারির কাছে হস্তান্তর করে দিত। ধৃতদের বিরুদ্ধে ধর্মনগর থানায় এনডিপিএস এক্টে মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানান তিনি। ধৃতদের বর্তমানে ধর্মনগর থানায় রেখে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে। জানা গেছে ধৃতদের পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে এসে পুলিশ এই নেশা বাণিজ্যের মূল মাস্টার মাইন্ডকে জালে তোলার চেষ্টা করবে। এখন দেখার পুলিশ তার লক্ষ্যে পৌছাতে সক্ষম হয়, নাকি আর ১০ টি মামলার ন্যায় এই মামলাটিও তদন্তের নামে ধামা চাপা পড়ে যায়।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য