Saturday, June 15, 2024
বাড়িরাজ্যরেমাল তাণ্ডব দেখাল আগরতলায়, সোমবার সকাল থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ৬৭ বছরের...

রেমাল তাণ্ডব দেখাল আগরতলায়, সোমবার সকাল থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ৬৭ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে রাজ্যে বৃষ্টিপাত, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আশ্বাস দিলেন জেলা শাসক

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২৮ মে : রাতভর তাণ্ডব চালিয়ে ধীরে ধীরে আগরতলা ছুঁয়ে বিদায় নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। কিন্তু রেখে গেছে ক্ষতের দাগ। তীব্র ঝড়ের সাথে ভারী বর্ষণ নিঃস্ব করেছে বহু মানুষকে। বাড়িঘর ও সহায় সম্বল হারিয়ে দিগভ্রান্ত আগরতলা বিভিন্ন এলাকার মানুষ। প্রবল বর্ষণে জলের নিচে তলিয়ে গেছে বাড়িঘর জমি সহ বিভিন্ন সম্পদ। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের মতে, ত্রিপুরায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে, যা ৬৭ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে।

 সোমবার গভীর রাতে প্রায় ১৬৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বাতাসের গতিতে ত্রিপুরা অতিক্রম করেছিল এই ঘূর্ণিঝড় রেমাল। ঘূর্ণিঝড় কেটে গেল বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ে অসংখ্য গাছ উপড়ে গেছে, এবং বেশ কয়েকটি এলাকায় বৈদ্যুতিক খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রশাসনিক টিম সকাল থেকে রাজ্য জুড়ে ধ্বংসের তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করেছে। আরও জানা গেছে ২৭ মে সকাল সাড়ে আটটা থেকে ২৮ মে সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত, উনাকোটি জেলায় সর্বোচ্চ ২৫২.৪ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, তারপরে ধলাই জেলায় ২৪৮.৩ মিমি, উত্তর জেলায় ২৪২ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে মিমি, পশ্চিম জেলায় ২২৯.০ মিমি, সিপাহিজালা জেলা ১৮৭.২ মিমি, খোয়াই জেলা ১৯৯ মিমি, গোমতি জেলা ১৯৮.২ মিমি এবং দক্ষিণ জেলা ১৬৮ মিমি বৃষ্টিপাত হয়েছে। পশ্চিম জেলার জেলা শাসক ডঃ বিশাল কুমার জানান পশ্চিম জেলার বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গাছ উপড়ে পড়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা মুখ থুবড়ে পড়েছে। ভেঙ্গে পড়া গাছ ইতিমধ্যে বন দপ্তরের কর্মীরা কেটে সরিয়ে ফেলেছে। বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করার জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে রাজ্যের নদী গুলিতে জল ফুলে ফেঁপে উঠেছে। জলমগ্ন আগরতলা সহ বিস্তীর্ণ এলাকা গুলি। ঘর ছাড়া বহু মানুষ। আশ্রয় নিয়েছে ত্রান শিবিরে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য