স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ৭ জুলাই : বিলোনিয়া মহিলা থানার অমানবিকতায় বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে। বার বার মহিলা থানার দরজায় অসহায় নির্যাতিতা গৃহবধূ কড়া নাড়লেও কোন এক অজ্ঞাত কারণে অমানবিক বিলোনিয়া মহিলা থানার ডি.এস.পি শিপ্রা বৈদ্য ও ওসি স্বপ্না ভৌমিক।
জানা যায়, স্বামীর বাড়িতে নির্যাতিতা এক গৃহবধূ সুবিচারের আশায় মহিলা থানাতে দ্বারস্থ হয়েও আজো কোন সুবিচার পেল না। প্রায় চার মাস আগে পারুল বেগম বিলোনিয়া মহিলা থানাতে বধূ নির্যাতনের মামলা দায়ের করেন। শাশুড়ি বালি মিয়া, শশুর ইয়াকুব মিয়া, ননদের জামাই নিগু মিয়া ও ননদ নাসিমা খাতুনের বিরুদ্ধে। কিন্তু বিলোনিয়া মহিলা থানার ওসি স্বপ্না ভৌমিক কোন এক অজ্ঞাত কারণে গত চার মাস একবারের জন্য তদন্ত করার উদ্যোগ গ্ৰহন করেনি এমনই অভিযোগ। চার মাস আগে দায়ের করা মামলা এখনও পর্যন্ত গৃহবধূ মামলা রেজিস্ট্রি করে আদালতে পাঠায় নি মহিলা থানার পুলিশ। গত ছয় জুলাই নির্যাতিতা গৃহবধূ পারুল বেগম বাবার বাড়ি থেকে ছুটে আসে মহিলা থানাতে মামলার খোঁজ খবর নিতে। তখনও এই মামলা রেজিস্ট্রি করেনি। বাধ্য হয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে নির্যাতিতা গৃহবধূ পারুল বেগম নিজের অসহায়ত্বের কথা জানিয়ে বলেন যদি মহিলা থানা মামলা গ্ৰহন না করে তাহলে সরাসরি আদালতের দ্ধারস্থ হবেন পারুল বেগম। বধু নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটে বিলোনিয়া আমজাদ নগর এলাকাতে। পারুল বেগমের স্বামী রুবেল মিয়া বিভিন্ন পাচার কাজের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে বিলোনিয়া দুই থানাকে ম্যানেজ করে নিয়েছো বলে এমনি গুঞ্জন রয়েছে। অবশেষে থানায় দ্বারস্থ হবার পরেও কোন সুরাহা পাচ্ছে না নির্যাতিতা পারুল।

