স্যন্দন প্রতিনিধি। আগরতলা। ২১ জুন : সম্প্রতি বাজার গুলিতে এক লাফে বেড়েছে নিত্য প্রয়োজনে সামগ্রিক মূল্য। প্রশাসনের কঠোর নজরদারির অভাবে সবকিছুই চলছে বাজারের অসাধু ব্যবসায়ীদের মর্জি মাফিক। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বাজারে গিয়ে ক্রেতাদের। আর অভিযোগের পর বৈঠকে বসলেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। কারণ বর্ষার মরশুমে ধস নেমেছে বহির্রাজ্যে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে যানবাহন আসতে পারছে না। অভিযোগ রাজ্যে সামগ্রী মজুত থাকার পরেও কতিপয় ব্যবসায়ী জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেন। তাই কালোবাজারি বন্ধে সাধারণ মানুষ যাতে সমস্যায় না পড়েন সেজন্য খাদ্য দপ্তরের উদ্যোগে বৈঠক হয় বুধবার। এদিন মহাকরণে দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর উপস্থিতিতে হয় বৈঠক। এতে খাদ্য দপ্তরের অধিকর্তা, সদরের মহকুমা শাসক, রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের সভাপতি, সম্পাদক, মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রাজ্যে বর্তমানে চাল, ডাল, চিনি, আটা, পিঁয়াজ, আলু সহ বিভিন্ন নিত্য পণ্যের মজুত অনেক রয়েছে। কোন জিনিসের মজুত দুই- তিন মাস তো আবার কোন জিনিসের দেড়- দুই মাসের মজুত রয়েছে খোলা বাজারে। এদিন বৈঠক শেষে খাদ্যমন্ত্রী জানান, প্রত্যেকের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে যাতে কোন অবস্থায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করা না হয়।
পাইকারি- খুচরো বিক্রেতারাও যাতে কোন জিনিস বিক্রি করার পর ক্যাশমেমো দেন। তিনি বলেন, কোন অবস্থায় রাজ্য সরকার, খাদ্য দপ্তর কালোবাজারি বরদাস্ত করবে না। মহকুমা প্রশাসন ও খাদ্য দপ্তরের অভিযান বাজার গুলিতে অব্যাহত থাকবে। মন্ত্রী জানান, বাজার কমিটির কর্মকর্তাদের কাছে বলা হয়েছে মানুষের নাভিশ্বাস উঠবে এমন কাজে যাতে লিপ্ত না হন। রাজ্যের খোলা বাজারে বর্তমানে চাল মজুত রয়েছে ৪৭ দিনের, ডাল ৪২ দিন, তেল ১১২ , পেঁয়াজ ৪২ দিন , আলু ৪৭, আটা ৬৩ দিনের মজুত রয়েছে। এতে সংকট তৈরির হওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই। স্বাভাবিক ভাবেই মূল্যবৃদ্ধির প্রশ্ন উঠে না বলে সাফ জানিয়ে দেন মন্ত্রী।

