Friday, May 31, 2024
বাড়িরাজ্যজিরানিয়া এবং বিশালগড়ে রাজনৈতিক সন্ত্রাস, আহত ২

জিরানিয়া এবং বিশালগড়ে রাজনৈতিক সন্ত্রাস, আহত ২

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ৯ ফেব্রুয়ারি : সন্ত্রাস থেকে রেহাই মিলছে না বিরোধী দলের কর্মী সমর্থকদের। জিরানিয়ায় বুধবার রাতে সিপিআইএম কর্মীদের কোডিং -এর সময় অতর্কিত হামলা চালায় বিজেপি আশ্রিত দুর্বৃত্তরা বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে অজয় দাস এবং মনোরঞ্জন সরকার নামে দুইজন সিপিআইএম কর্মী। তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় জিবি হাসপাতালে। ঘটনার খবর পেয়ে আহতদের দেখতে জিবি হাসপাতালে ট্রমা সেন্টারে ছুটে যান সিপিআইএম পশ্চিম জেলা কমিটি সম্পাদক রতন দাস। রতন দাস সংবাদ মাধ্যমে মুখোমুখি হয়ে জানান পুলিশের অনুমতি নিয়ে সিপিআইএম কর্মীরা ১০ মজলিশপুর বিধানসভা কেন্দ্রে একটি স্কোয়াডিং বের হয়েছিল।

স্কোয়াডিং বের করার আগে সিপিআইএম কর্মীরা মনোনীত প্রার্থী সঞ্জয় দাসের নেতৃত্বে স্থানীয় থানাকে ফোন করে জানায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা করার জন্য। কিন্তু যথারীতি পুলিশ নিরাপত্তা দিতে আসেনি। মিছিলটি শুরু হওয়ার আধ ঘণ্টা পর দাসপাড়া এলাকায় লাঠি, রড, দা নিয়ে বিজেপির শশস্ত্র দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ সংগঠিত করে। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় রানীবাজার হাসপাতালে। কিন্তু মনোরঞ্জন সরকার এবং অঞ্জন দাশের মাথায় ও পায়ে আঘাত লাগায় রেফার করা হয় জিবি হাসপাতালে। সিপিআইএম পশ্চিম জেলা কমিটির সম্পাদক শ্রী দাস এদিন ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন নির্বাচন কমিশন জিরো ভায়োলেন্সে নির্বাচন সংগঠিত করার আশ্বাস দিলেও দেখা যাচ্ছে মজলিশপুর বিধানসভা কেন্দ্রে এলাকার বিধায়ক তথা মন্ত্রীর নেতৃত্বে এ ধরনের ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে। পুলিশ নিরাপত্তা দিতে পারছে না। তাই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে হবে বলে দাবি তুলেন তিনি।

 পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানানো হবে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পূর্ণ হয় তার জন্য ব্যবস্থা নিতে। কারণ যেদিকে পরিস্থিতি এগিয়ে যাচ্ছে তাতে সন্ধিহান নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে কিনা। এদিকে বাম নেত্রীর বাড়িতে আক্রমণ অভিযোগ দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। ঘটনা বিশালগড় থানাধীন এক নম্বর চন্দ্রনগর এলাকায়। ঘটনার বিবরনে জানা যায় বুধবার রাতে বিশালগড় থানাধীন এক নং চন্দ্রনগর এলাকার বাসিন্দা বাম কর্মী খুদেজা বেগমের বাড়িতে হামলা চালায় ২০ থেকে ২৫ জন দুর্বৃত্ত। পরবর্তী সময়ে বাম নেত্রী খুদেজা বেগম নিরুপায় হয়ে বিশালগড় থানায় খবর দেয়। ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিশালগড় থানার পুলিশ সহ সি আর পি এফ জওয়ানরা। জানা যায় খুদেজা বেগমের স্বামী কর্মসূত্রে বাড়ির বাহিরে থাকেন, খুদেজা বেগম তার দুই সন্তানকে নিয়ে একাই বাড়িতে থাকেন। আর সেই সুযোগ পেয়ে হায়নার দল সেই পরিবারের উপরে গিয়ে হামল চালায় বলে অভিযোগ। বিশালগড় থানার পুলিশ একটি মামলা হাতে নিয়ে ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য