বাড়িরাজ্যডি.ওয়াই.এফ.আই-র সেন্ট্রাল এক্সিকিউটিভ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর সরকারের দিকে আঙ্গুল তুললেন নেতৃত্ব

ডি.ওয়াই.এফ.আই-র সেন্ট্রাল এক্সিকিউটিভ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর সরকারের দিকে আঙ্গুল তুললেন নেতৃত্ব

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৪ জুলাই : আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার জনজাতিদের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে শনিবার ছাত্র যুব ভবনে ডি.ওয়াই.এফ.আই-র সেন্ট্রাল এক্সিকিউটিভ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী, প্রাক্তন মন্ত্রী নরেশ চন্দ্র জমাতিয়া, ডি.ওয়াই.এফ.আই-র সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিমঘ্নরাজ ভট্টাচার্য, ডি.ওয়াই.এফ.আই ও টি.ওয়াই.এফ-এর রাজ্য নেতৃত্বরা। ত্রিপুরা, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার পর আদিবাসী সমাজের উপর আক্রমণ তীব্র হয়েছে।

 সংবিধানে আদিবাসীদের সামাজিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাস্তবে প্রয়োগ করার বিধান ছিল। কিন্তু বর্তমান বিজেপি সরকার তাকে মানছে না বলে এইদিন মন্তব্য করেন ডি.ওয়াই.এফ.আই-র সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিমঘ্নরাজ ভট্টাচার্য। এদিকে এদিন বিকেলে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন আদিবাসী অংশের মানুষের অধিকার সংবিধান দিয়েছে। তাদের উন্নয়নের নামে জমি কেড়ে নেওয়া হয়েছে ডাবল ইঞ্জিন সরকার আমলে। তাদের স্বার্থের কথা বলে বড় বড় পুঁজিপতিদের স্বার্থে কাজ করছে। তিনি আরো বলেন, মন রেখা বন্ধ করে দেওয়া আদিবাসীদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। আগামী দিন আদিবাসীদের জন্য ২০০ দিনের কাজ দিতে হবে।

আরো বলেন, আসাম এবং ত্রিপুরা সহ অন্যান্য রাজ্যের বিভাজনের রাজনীতি চলছে। জনগণনা সময় তাদের নাম থাকবে কিনা যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। রাজ্যের শূন্য পদ নিয়ে তিনি বলেন, ত্রিপুরায় বড় বড় শিল্প সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হয়নি। নেশায় আক্রান্ত হচ্ছে যুবক-যুবতীরা। নেশা দ্রব্য সহ আটক হচ্ছে বিজেপি সমর্থকরা। এর বিরুদ্ধে আগামী দিন লড়াই করতে হবে। এমনটাই জানান তিনি। আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন টি ওয়াই এফ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কুমুদ দেববর্মা, পশ্চিমবঙ্গের ডি ওয়াই এফ আই নেত্রী সোনামণি টুডু সহ অন্যান্যরা।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য