স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২ জুলাই : বিদ্যুৎ মাশুল বৃদ্ধি এবং ফিক্সড চার্জ অতিরিক্ত সাড়ে বাড়ানোর ফলে গ্রাহকের উপর চাপ বেড়েছে। বিদ্যুৎ বিল বিগত কয়েক মাসের সঙ্গে নতুন বিদ্যুৎ বিলের ফারাক অনেক বেশি। এভাবে মাশুল বৃদ্ধির পেছনে মূলত কারণ হলো নিগমের ব্যর্থতা। আর এই ব্যর্থতা গ্রাহকদের উপর চাপানো হয়েছে। রাজ্যের বিদ্যুৎ নিগম বকেয়া আদায়ে ব্যর্থ। যার জন্য গ্রাহকদের উপর চাপানো হয়েছে, নানাভাবে চার্জ বাড়ানো ও আদায় চলছে। অথচ, দেড়শো কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছে বেসরকারি বিদ্যুৎ এজেন্সি। বৃহস্পতিবার এভাবেই সরকারকে একহাত নিলেন রাজ্যের প্রাক্তন বিদ্যুৎ মন্ত্রী তথা রাজ্যের বামফ্রন্টের আহ্বায়ক মানিক দে।
সিপিআইএম রাজ্য কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ করে দেওয়ার নিয়ে তিনি বলেন, জিবিপি হাসপাতালের ডাক্তারদের প্রাইভেট প্র্যাক্টিজ বন্ধে সমস্যা আরও বেড়েছে। ডাক্তার সংখ্যা পর্যাপ্ত না থাকায় পরিষেবা তলানিতে এসে ঠেকেছে। আরও অনেক সমস্যা। চটকরে এ ধরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বাস্তব বিষয় ভাবা হয়নি। সমস্যা নিরসনে সমাধান না করে একতরফা ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কারোর মৃত্যু হলে সরকারকে দায় নিতে হবে বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি দাবি জানান, পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। আপাততঃ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা। তিনি মনীষা মৃত্যু কান্ড নিয়েও আঙ্গুল তুলেছেন সরকারের দিকে। তিনি বলেন মনীষা মৃত্যু কান্ডের ঘটনা খুন নাকি আত্মহত্যা সেটা নিয়ে সরকার কোন রকম ষ্পষ্টিকরণ দিচ্ছে না। সরকারের অবিলম্বে সিট গঠন করা দরকার। তাহলেই সুষ্ঠু তদন্ত হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি। আরো বলেন, জাতীয় সড়ক নির্মাণে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। অত্যন্ত নিম্নমানের কাজ হচ্ছে জাতীয় সড়কে। এমনটাই বললেন তিনি। আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দীপক দেব এবং মিলন বৈদ্য সহ অন্যান্যরা।

