স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৭ জুন : নেশা, তোল্লা, বেআইনি কার্যকলাপ জাকিয়ে বসেছে রাজধানীর আড়ালিয়া শালবন এলাকায়। স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নেশা সরঞ্জাম বিক্রি করে চলেছে। এবং তাদের সঙ্গে আঁতাত রাষ্ট্রবাদী দলের যুবকরা। কিন্তু ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে শুক্রবার রাতে দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলার সৃষ্টি হওয়ায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল যুব মোর্চার তান্ডবে। প্রতাপগড় যুব মোর্চার সভাপতির অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশের উপস্থিতিতে একটি মাংসের দোকানে তল্লাশি চালিয়ে চোলাই মদ ও নেশা জাতীয় সামগ্রী উদ্ধার করেছে পুলিশ
প্রতাপগড় যুব মোর্চার সভাপতি মনিশ চক্রবর্তীর দাবি, শুক্রবার রাতে যুব মোর্চার দুই কর্মী বিশ্বজিৎ দেবনাথ ও বিনয় দেবনাথ বাড়ি ফেরার পথে শালবাগ এলাকার একটি মাংসের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি বাইক সরানোর অনুরোধ করেছিলেন। অভিযোগ, এরপরই দোকান থেকে ৪ থেকে ৫ জন বের হয়ে এসে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তিনি আরও দাবি করেন, ওই মাংসের দোকানের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে চোলাই মদ ও বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্যের অবৈধ ব্যবসা চলছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এলাকাবাসী নিয়ে পুলিশের সহযোগিতায় দোকানটিতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিতে পুলিশ চোলাই মদ সহ বিভিন্ন নেশাজাতীয় সামগ্রী উদ্ধার করে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রবীর মজুমদার নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কলেজ টিলা থানার পুলিশ। তবে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী ও অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।আড়ালিয়া শালবনের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে এবং তদন্ত শেষ হলে প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নেশার উপদ্রব চলছে। স্থানীয় নেতৃত্ব রাতের বেলা তুল্লা আদায় করতে রাস্তায় নামেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবারে ঘটনা বলে এলাকাবাসী সূত্রে খবর। এলাকাবাসী আরো দাবি শুক্রবার রাতে স্থানীয় যুব মোর্চার সভাপতি সহ যারা গুন্ডামি করেছে তাদের যেন গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ কেন একতরফা পক্ষ নিচ্ছে। দুই পক্ষকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়িয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি উঠেছে।

