স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১০ মে : সুশাসন জামানায় রবীন্দ্র জয়ন্তীতে কলঙ্কিত বিশালগড়। বিশালগড় পুর পরিষদ এবং মন্ডলের যোগসাজশে এই কলঙ্কজনক অধ্যায় রচনা হলো শনিবার। এমনটাই গুঞ্জন বিশালগড় বাসীর মধ্যে। স্যন্দন টিভিতে খবর প্রকাশ হওয়ার পর রবিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করল মন্ডল সভাপতি। জানা যায়, শনিবার বিশালগড় অফিসটিলা স্থিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তিতে ফুলের মালা পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। তাই এলাকার কিছু যুবক কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তি পরিষ্কার করে ফুল-মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন।
সেই বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর বিশালগড় মন্ডল সভাপতি পুর পরিষদের চেয়ারম্যানকে পাশে রেখে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। তিনি বলেন, শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে বিশালগড়ের আনাচে কানাচে সর্বত্রে রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপন করা হয় যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে। কিন্তু অফিস টিলা এলাকায় সিপিআইএম কার্যালয়ের সামনে যে মূর্তিতেই রয়েছে তাঁর মধ্যে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বিকৃত করা হয়েছে। এই মূর্তিটি কালমার্কসের আদলে গড়েছিল সিপিআইএম। এটা ইচ্ছাকৃতভাবে করেছিল সিপিআইএম।
এটা কোনভাবেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তি বলে মনে হয় না। প্রশাসনের কাছে দাবি জানানো হবে, এই মূর্তিটি পরিবর্তন করে যেন প্রকৃত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তি বসানো হয়। সাংবাদিকের এক প্রশ্নের উত্তরের আবার দাবি করেন আগেও প্রশাসনের কাছে বলা হয়েছিল অফিস টিলার এই রবীন্দ্রনাথের মূর্তিটি যেন পরিবর্তন করে প্রকৃত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তি প্রতিস্থাপন করা হয়। কিন্তু পরিবর্তন করা হয়নি, পুনরায় দাবি জানানো হবে। কিন্তু তিনি যাদেরকে সাথে নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন তারাই ২০২৪ সালেও এই মূর্তিতে ফুল-মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন। তাহলে কি এই সময়ের মধ্যে মূর্তির চেহারা বদলে গেল? এবং সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর কেন গত আট বছর পর এই প্রশ্নবোধক চিহ্নটি তৈরি হল বিশালগড়ে!

