স্যন্দন ডিজিটাল ৯ মে :- ত্রিপুরাজুড়ে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে রান্নার গ্যাসের কালোবাজারি। অভিযোগ, বৈধ গ্যাস বুকিং ও বই থাকা সত্ত্বেও সাধারণ গ্রাহকরা কাউন্টার থেকে পাচ্ছেন না ১৪ কেজির গ্যাস সিলিন্ডার। অথচ খোলা বাজারে সেই একই সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকার চড়া দামে।
রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উঠে আসছে একের পর এক অভিযোগ। সাধারণ মানুষ জানাচ্ছেন, দিনের পর দিন বুকিং করার পরও গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে না। কাউন্টারে গেলেই বলা হচ্ছে “স্টক নেই”। কিন্তু সেই গ্যাসই রাতারাতি পৌঁছে যাচ্ছে কালোবাজারিদের হাতে।
অভিযোগের তীর উঠছে গ্যাস এজেন্সির কিছু অসাধু কর্মী ও কাউন্টারের সদস্যদের বিরুদ্ধে।
সাধারণ মানুষের দাবি, প্রশাসনের চোখের সামনেই চলছে এই অবৈধ বাণিজ্য। খাদ্য দপ্তরের ভূমিকা নিয়েও উঠছে বড় প্রশ্ন। কেন অভিযান নেই? কেন দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?
গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলি।
অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে আবার ফিরে যাচ্ছেন পুরনো লাকড়ির চুলোর দিকে। এতে যেমন বাড়ছে পরিবেশ দূষণ, তেমনি বাড়ছে মহিলাদের ভোগান্তিও।
সাধারণ মানুষের দাবি, অবিলম্বে গ্যাসের কালোবাজারি বন্ধ করতে হবে, নিয়মিত নজরদারি চালাতে হবে এবং প্রকৃত গ্রাহকদের হাতে স্বাভাবিক মূল্যে গ্যাস পৌঁছে দিতে হবে।
এখন দেখার, প্রশাসন এই গুরুতর অভিযোগে কতটা সক্রিয় ভূমিকা নেয়, নাকি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়তেই থাকবে।

