স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৫ মে : আরো একটি মানবিক অবক্ষয়ের মতো ঘটনা ঘটলো এক নাবালিকার সঙ্গে। নাবালিকা মেয়েটির মায়ের কারণে এই ঘটনার সম্মুখীন। জানা যায় মির্জার এক নাবালিকার মা পারিবারিক কারণে তেলিয়ামুড়ায় বসবাস করেন। সেই সুবাদে নাবালিকা তার মায়ের কাছে তেলিয়ামুড়া গিয়েছিল। কিন্তু নাবালিকার মা মেয়েকে ভুল বুঝিয়ে বেঙ্গালুরু নিয়ে চলে যায় ২০২৫ সালের মার্চ মাসে। সেখানে মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার পর নাবালিকার মা নাবালিকার বিয়ে ঠিক করে এক মাঝ বয়সী যুবকের সাথে।
নাবালিকা ফোন করে এই বিষয়ে তার বাবাকে জানায়। তখন নাবালিকার বাবা ত্রিপুরা রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের নিকট লিখিত আকারে এই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। এই বিষয়ে ত্রিপুরার শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন জয়ন্তী দেববর্মা এবং নাবালিকা মেয়েটি জানান, মির্জার এক নাবালিকা মেয়েকে ২০২৫ সালে মার্চ মাসে তার মা বেঙ্গালুরুতে নিয়ে গিয়েছিলেন, যেখানে সে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়। পরে তাকে সেখানে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন জন্মদাতা মা। পরে বিগত বছরের জুন মাসে সাহসিকতার সঙ্গে বেঙ্গালুরু থেকে ট্রেনে করে ত্রিপুরায় তার বাবার কাছে ফিরে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের খড়গপুরে রেল স্টেশনে সে পুলিশের নজরে আসে এবং সুরক্ষার স্বার্থে তাকে আটক করা হয়। তারপর তাকে মেদিনীপুর শহরের হোমে রাখা হয়। তারপর ত্রিপুরা শিশু সুরক্ষা কমিশন পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ, মেদিনিপুর সি ডব্লিউ সি এবং বেঙ্গালুরুর চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির সাথে যোগাযোগ করে রাজ্যে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু মেয়েটির মা নিখোঁজ ডাইরি করার কারণে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মেয়েটিকে কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুর চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির কাছে তুলে দেওয়া হয়।

