স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৩০ এপ্রিল : ১০ জন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকাকে চাকুরি থেকে ছাটাই ইস্যুতে উচ্চ আদালতে ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। ২০২২ সালের নভেম্বর মাস থেকে সমাজ কল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের অধিন ১০ জন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকার সাম্মানিক ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাদেরকে জানিয়ে দেওয়া হয় তাদের আর কাজ নেই। বঞ্চিত অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা উচ্চ আদালতের সিঙ্গেল বেঞ্চে মামলা দায়ের করে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের পক্ষে আদালতে সাওয়াল করেন বরিষ্ঠ আইনজীবী পুরুষোত্তম রায় বর্মন।
তিনি জানান উচ্চ আদালতের সিঙ্গেল বেঞ্চ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই মামলার রায় দিয়ে বলে এই অঙ্গনওয়ারী কর্মীদের ৫০ শতাংশ বকেয়া ভাতা দিতে হবে। এবং পুনঃনিয়োগের বিষয়টি দপ্তরকে বিবেচনা করে দেখার জন্য বলে। সিঙ্গেল বেঞ্চের এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের ডাবল বেঙ্গে আপিল করে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরাও উচ্চ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চে বকেয়া ১০০ শতাংশ বেতন ভাতা ও পুনঃনিয়োগের দাবিতে আপিল মামলা দায়ের করে। বুধবার উচ্চ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারের দায়ের করা আপিল মামলা করে দেয়।
পাশাপাশি অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের পক্ষে রায় দিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় আগামি ৪ সপ্তাহের মধ্যে এই অঙ্গনওয়ারী কর্মী ও সহায়িকাদের পুনঃনিযুক্তি দিতে হবে। এবং আগামি ৮ মাসের মধ্যে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকাদের বকেয়া বেতন ভাতা ১০০ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে। রাজ্য সরকার এই রায় না মানলে উচ্চ আদালতে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হবে বলে জানান বরিষ্ঠ আইনজীবী পুরুষোত্তম রায় বর্মন।

