Wednesday, November 30, 2022
বাড়িরাজ্যবাইক চুরির ঘটনায় গ্রেফতার দুই চোর

বাইক চুরির ঘটনায় গ্রেফতার দুই চোর

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১০ অক্টোবর : স্মার্ট সিটিতে সিসি ক্যামেরা থাকার পরও পুলিশের বাইক চোর আটক করতে যে কালঘাম ছুটছে তা আবারো স্পষ্ট করে দিলেন সদর এস ডি পি ও অজয় কুমার দাস। রাজ্যে গত কয়েক মাসে বাইক চুরির হিড়িক ক্রমশ বেড়ে চলেছে। পুলিশের নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় জনগণের নিরাপত্তা কেড়ে নিয়েছে। সক্রিয় বাইক চোর আটক করতে সিসি ক্যামেরা থাকলেও পুলিশ সঠিক ব্যবহার করতে পারছে না সিসি ক্যামেরার।

যার দরুন থানার সামনে দিয়ে চলছে বাইক পাচার। আর পুলিশ থানার অন্দরে কুম্ভ নিদ্রায় মগ্ন হয়ে আছে। বিশেষ করে আমতলী থানার সামনে দিয়ে বাইক পাচার হলেও পুলিশের কোন ভূমিকা নেই। গত কয়েক মাসে আগরতলা শহরের সিসি ক্যামেরার নিচ থেকে বাইক চুরির ঘটনার অভিযোগ পর্যন্ত রয়েছে। যাইহোক লক্ষ্মীপূজা রাতে পুলিশ গোপন খবরের ভিত্তিতে রাজনগরের এলাকা থেকে দুই বাইক চোরকে আটক করেছে। এবং দুটি চুরি যাওয়া বাইক উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। অভিযুক্ত দুই চোর সুজন হোসেন, বাড়ি মধুপুর মিয়াপাড়া এলাকায়। অপর চোরের নাম কিশোর পাল, বাড়ি রাজনগর এলাকায়। এদিন এস ডি পি ও অজয় কুমার দাস পুলিশের ব্যর্থতা আকার ইঙ্গিতে তুলে ধরে বলেন শহরে একটি চোরের গ্যাং সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে। তারা চার থেকে পাঁচটি বাইক একত্রিত করে সিপাহীজলা জেলা দিয়ে পাচার করত। এ ঘটনাগুলো অভিযোগে পুলিশ তদন্ত নেমে ইতিমধ্যে ১৩ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আপাতত জেলে রয়েছে। রবিবার রাতে একটা নাগাদ আরো দুজনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। গত ১০ দিনে পশ্চিম থানার পুলিশ দুটি বাইক এবং পূর্ব খানের পুলিশ তিনটি বাইক আটক করতে সক্ষম হয়।

কিন্তু সীমান্ত এলাকা দিয়ে এ ধরনের বাইক পাচারের ব্যাপক আনাগোনা চলছে। যা বুক ফাটে, মুখ ফাটে না এমন অবস্থা এস ডি পি ও সাহেবের প্রত্যক্ষ করা গেছে এই দিন। প্রশ্ন হচ্ছে যদি সিপাহীজলা দিয়ে বাইক পাচার হয়ে থাকে তাহলে আমতলী থানার সামনে কেন নাকা পয়েন্ট সঠিকভাবে বসানো হয় না, এছাড়াও রাজনগর ও বাইপাস এলাকায় কেন সদর মহকুমা পুলিশ প্রশাসনিক পক্ষ থেকে এতদিন ধরে নাকা না বসিয়ে চরম গাফিলতি করছে। দ্বিতীয়ত শহরে সিসি ক্যামেরা গুলি বসানোর মূল কারণ হলো যাতে অপরাধমূলক ঘটনা সংঘটিত হলে পুলিশ সক্রিয়তার সাথে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। বর্তমান সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ঢাকঢোল পিটিয়ে সিসি ক্যামেরার গল্প মঞ্চ থেকে স্মার্ট সিটির মানুষকে শোনায়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে পুলিশ সিসি ক্যামেরার ব্যর্থতা বারবারই আকার ইঙ্গিতে তুলে ধরছে সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্য দিয়ে। তাহলে জনগণের নিরাপত্তা সিসি ক্যামেরা নিচে নেই তার উদাহরণ খোদ পুলিশ বলছে। এদিন এসডিপিও আরো জানান, গ্রেফতার হওয়া দুই চোরকে আগামী মঙ্গলবার পুলিশ রিমান্ড চেয়ে আদালতে তোলা হবে। গত ১৫ দিনে ১১ জন বাইক চোর আটক করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। কিন্তু গত কয়েক মাসে রাজ্যে কয়টি বাইক চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে এবং চোর আটকের পর কয়টি বাইক পুলিশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে সে বিষয়ে কোন তথ্য দিতে পারেন এস ডি পি ও।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য