স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২ মার্চ : গত আগস্ট মাস থেকে ত্রিপুরা ওবিসি ওয়েলফেয়ার ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকদের দ্বারস্থ হচ্ছেন ছাত্র-ছাত্রীরা। বহু তালবাহানার পর সোমবার তারা জানতে পারল দিল্লিতে তাদের স্কলারশিপের টাকা আটকে আছে। এদিনও তারা ওবিসি ওয়েলফেয়ার ডিপার্টমেন্ট ঘেরাও করেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। তারপর অধিকর্তা নির্মল আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পায় তারা। তাদের অভিযোগ গত আগস্ট মাস থেকে তারা স্কলারশিপের জন্য দপ্তরের আধিকারিকদের দারস্থ হচ্ছে বারবার। তাদের তারিখের পর তারিখ দিয়ে চলেছেন আধিকারিকরা।
অবশেষে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাদের তারিখের সময়সীমা যখন শেষ হয়ে যায় তখন তারা দপ্তরের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হয়। সোমবার দপ্তরের আসার পর অধিকর্তা সঙ্গে দেখা করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা। তাদের দাবি স্কলারশিপের টাকা দিয়ে তারা পড়াশোনা করে। গত আগস্ট মাস থেকে স্কলারশিপের টাকা না পেয়ে তারা কলেজ থেকে বিভিন্ন চাপের মুখোমুখি হচ্ছে। পরীক্ষায় বসতে দিচ্ছে না তাদের। বিভিন্ন সময় দপ্তরে এসে তারা হয়রানি শিকার হচ্ছে। ফোন করলে গালিগালাজ করা হচ্ছে। তখন অধিকর্তা সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনে বলেন, তাদের স্কলারশিপের যে সমস্যা, তা সৃষ্টি হয়ে আছে সেটা দিল্লিতে অর্থ মন্ত্রকে।
একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে স্কলারশিপ পেতে তাদের দেরি হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে আর কতদিন সময় লাগতে পারে সেটা জানার জন্য ইতিমধ্যে ত্রিপুরা থেকে দুজন আধিকারিককে দিল্লি পাঠানো হয়েছে। তারা সেখানে স্ট্যাটাস দেখে জানানোর পর ছাত্র-ছাত্রীদের নির্দিষ্টভাবে দপ্তর থেকে বলতে পারবে কবে নাগাদ তাদের স্কলারশিপ দেওয়া সম্ভব হবে।ছাত্র-ছাত্রীরা পাল্টা আবার দাবি করে তাদের লিখিত দেওয়ার জন্য। লিখিত দেওয়া সম্ভব হয়নি দপ্তরের পক্ষ থেকে। কিন্তু কিছু উত্তেজিত ছাত্রছাত্রী এদিন অধিকর্তার মুখোমুখি হয়ে মিথ্যা অভিযোগ তোলার চেষ্টা করেছে। তখন অধিকর্তা ষ্পষ্ট জানিয়েছেন তাদের স্কলারশিপের স্যাংশন মেমো পায় দপ্তর। টাকা দিল্লি থেকে দপ্তরের হাতে আসে না। সুতরাং পুরোপুরি ভাবে স্বচ্ছতার মাধ্যমেই স্কলারশিপ প্রদান করা হয় ছাত্রছাত্রীদের।

