স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৫ ফেব্রুয়ারি: পানীয় জলের নামে মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে ডি ডব্লিউ এস দপ্তর। গত পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে মোটা কামাইয়ের ধান্দায় মানুষের মৃত্যুকে গলায় ঝুলিয়ে দিচ্ছে রাষ্ট্রবাদীরা। ২০২০ সালে ভিকি প্রসাদ ডি.ডাব্লিউ.এস অধীন ইনটেক ওয়েলে জল পরিশ্রুত করার জন্য ফিটকিরি প্রদান করার টেন্ডার পায়। তখন থেকে শুরু হয় ধীরে ধীরে দুর্নীতি। মানুষের খাওয়ার জন্য যে পানীয় জল প্রদান করা হয় সেই পানীয় জলে এলার্ম গেট ফোর ব্যবহার করার জন্য বিজ্ঞান সম্মতভাবে নিয়ম রয়েছে। এবং গেট টু ফিটকিরি ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে ব্যবহার করার জন্য নিয়ম রয়েছে। কারণ গেট ফোর ফিটকিরি অত্যন্ত পরিষ্কার হয়। যার জলের কাদা মাটি থেকে শুরু করে অন্যান্য দূষিত পদার্থ কাটাতে সাহায্য করে। সেই কার্যকরী ক্ষমতা গেট টু ফিটকিরিতে নেই বলা চলে।
কিন্তু টেন্ডার নিয়ে রাষ্ট্রবাদী কম দামি গেট টু ফিটকিরি রাজ্যের ডিডাব্লিউএসকে প্রদান করেছে বলে অভিযোগ। পরবর্তী সময় ভিকি প্রসাদ থেকে এই টেন্ডার পায় অমলেশ এবং সঞ্জীব নামে দুজন রাষ্ট্র বাদী। তারাও ভিকি প্রসাদের দুই নম্বরি রাস্তা অনুসরণ করে মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। গত কয়েক বছর ধরে এভাবেই চলছে রাজ্যের পানীয় জল নামে চরম অব্যবস্থাপনা। রাজধানীর বটতলা বাঁধের পাড়ের নিকট ডিডাব্লিউএস-এর অধীনে বড়দোয়ালি ট্রিটমেন্ট প্লান্টের অফিসটি রয়েছে এর মধ্যেও একই ভাবে চলছে পানীয় জল পরিষ্কার করার জন্য গেট টু ফিটকিরির ব্যবহার। যার কারণে গত বছর মাস্টার পাড়া সহ দক্ষিণাঞ্চলে জন্ডিসের পাদর্ভাব দেখা দিয়েছিল। বিষয়টি সরকারের কানে গেলেও সরকার কোন এক অজ্ঞাত কারণে নজর এড়িয়ে চলেছে। বিগত দিনে একযোগেটিভ ইঞ্জিনিয়ার মারফত স্টেট ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে ফিটকিরি গুলি ব্যবহারের জন্য তুলে দেওয়া হতো। বর্তমানে সেই নিয়ম তুলে দিয়েছে দপ্তর। ফলে স্টেট ল্যাবরেটরির কোন রিপোর্ট নেই বলে সূত্রের খবর। এভাবে চলতে থাকলে মানুষের জীবন যে কোন সময় ঝুঁকিতে পড়বে বলে সূত্রে খবর। আগামী দিন এ ধরনের ফিটকিরির কারণে পাকস্থলীতে ক্যান্সার, কিডনি পাথর সহ অন্যান্য মরণব্যাধি রোগ দেখা দিতে পারে। তখন এর দায় কে নেবে প্রশ্নবোধক চিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকারের দিকে? এই সূত্রের খবর অনুযায়ী সরকার যদি সুষ্ঠ তদন্ত করে তাহলে বের হয়ে আসবে কিভাবে ঘটছে এত বড় ঘোটালা! আরো বের হয়ে আসবে দপ্তরের কারা কারা জড়িত এই ব্যাপক অনিয়মের সঙ্গে।

