স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৬ জানুয়ারি :উন্নয়নের নাম নিশানা নেই আগরতলা পুর নিগমের ৩৪ নং ওয়ার্ড এলাকায়। অপরদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির আলিশান জীবন যাপন দেখে চক্ষু চরক গাছ এলাকাবাসসীর। অথচ প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আগরতলা পুর নিগমের বিভিন্ন ওয়ার্ডে উন্নয়নের ঢাক পেটানো হচ্ছে। নতুন আগরতলার স্বপ্ন দেখিয়ে রাতকে দিন, দিনকে রাত বলে ঢাক পেটানো হচ্ছে জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে। কিন্তু আর এক বছর পর আগরতলা পুর নিগমের নির্বাচন। নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে ততই নিগম বাসীর মধ্যে ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে কিছু কিছু ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এই সকল ওয়ার্ডের মধ্যে একটি হল আগরতলা পুর নিগমের ৩৪ নং ওয়ার্ড। ওয়ার্ডের কর্পোরেটর জাহ্নবী দাস চৌধুরীর ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ। ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দারা জানান কোন সমস্যা নিয়ে কর্পোরেটরের কাছে গেলে শুধু আশ্বাস মিলে। বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয় না। টুয়েপের কাজ ছাড়া অন্য কোন সরকারি সুযোগ সুবিধা পান না। এলাকার এক ব্যক্তি জানান তিনি সরকারি ঘরও পান নি। কর্পোরেটরের নিকট ঘরের দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু ঘর আর পান নি। অর্ধ ভগ্ন ঘরের মধ্যে দিন যাপন করছেন। এলাকার জল নিষ্কাশনের ড্রেইন গুলিও নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। এলাকার অপর এক ব্যক্তি জানান এলাকার রাস্তার পাশের ড্রেইন গুলির উপর স্লেফ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখনো স্লেফ দেওয়া হয় নি।
এলাকার রাস্তাটিও ক্রমশ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে। ১৫ থেকে ২০ দিন পর পর এলাকার ড্রেইন গুলি পরিষ্কার করা হলেও, সঠিক ভাবে পরিষ্কার করা হয় না। কর্পোরেটরের দেখাও পাওয়া যায় না। প্রশ্ন হচ্ছে, বিভিন্ন সময় আগরতলা পৌর নিগমের বিভিন্ন ওয়ার্ডের জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করছেন মেয়র দীপক মজুমদার। তিনি খুদ কর্পোরেটরদের সঙ্গে বৈঠকে বসে জনগণের জন্য বিভিন্ন অর্থ বরাদ্দের কথা তুলে ধরছেন। কিন্তু সেই অর্থ রাশি কোথায় যাচ্ছে, কি হচ্ছে – এর সঠিক অডিট রয়েছে কিনা সেটা পর্যন্ত জানা নেই।

