স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৫ জানুয়ারি : সোমবার দুর্ঘটনার পর ঠিকেদারের তাণ্ডব বিশ্রামগঞ্জ থানার নাকা পয়েন্টে। এদিন বাসের সাথে ঠিকেদারের মারুতি গাড়ির সংঘর্ষ ঘটে। সেই গাড়ির চালক তথা ঊষাবাজারের ঠিকেদার সুজিত সাহা বাসে ঢুকে চালক ইন্দ্রজিৎ দেবনাথ এবং সহ চালক জলিল মিয়াকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। জানা যায়, আগরতলা থেকে সোনামুড়া যাওয়ার সময় বিশ্রামগঞ্জ থানার নাকা পয়েন্ট টি আর ০৭ ১২১৩ নম্বরের একটি বাস গাড়ি, টি আর ০১ এ ডব্লিউ ০৬৭৪ নম্বরের একটি মারুতি ওয়াগণার গাড়ির পেছনে ধাক্কা দেয়।
বাস গাড়ির ধাক্কায় ওয়াগনার গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙ্গে যায়। সঙ্গে সঙ্গে মারুতি ওয়াগনার গাড়ি থেকে নেমে আগরতলা উষা বাজার এলাকার ঠিকেদার সুজিত সাহা বাস গাড়ির মধ্যে প্রবেশ করে বাস চালক ইন্দ্রজিৎ দেবনাথ এবং সহ চালক জলিল মিয়াকে মারধর করে বলে অভিযোগ করেন বাস গাড়ির চালক, সহ চালক এবং অন্যান্য যাত্রীরা। পাশাপাশি ঠিকাদার থানার নাকা পয়েন্টে রুটিন মাফিক যানবাহন চেকআপের দায়িত্বে থাকা বিশ্রামগঞ্জ থানার এএসআই কানু দেবনাথের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করে বলে অভিযোগ করেছেন পুলিশ অফিসার কানু দেবনাথের। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা থানা থেকে দৌড়ে নাকা পয়েন্টে ছুটে যান। তিনি বাস গাড়ির চালক এবং সহ চালককে থানায় নিয়ে আসেন। এদিকে মারুতি ওয়াগনার গাড়ির দুজন যাত্রীকে বিশ্রামগঞ্জ থানা পুলিশের গাড়ি দিয়ে বিশ্রামগঞ্জ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন চিকিৎসার জন্য। ঘটনায় মুহুর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উত্তেজনা প্রশমন করে জাতীয় সড়ক যানজট মুক্ত করেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা। বাস গাড়ির যাত্রীদের অভিযোগ সম্পূর্ণ দোষ ছিল মারুতি ওয়াগনার গাড়িটির। মারুতি ওয়াগনার গাড়িটি দ্রুত গতিতে অনেকগুলো গাড়িকে ওভারটেক করে বিশ্রামগঞ্জ থানার নাকা পয়েন্টের সামনে এসে হঠাৎ করে দাঁড়িয়ে যায়। বাসগাড়ীটির গতি একেবারেই কম ছিল। হঠাৎ করে ওয়াগনার গাড়িটি বাস গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে যাওয়ার ফলে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে বাস গাড়ির যাত্রীরা। পাশাপাশি ওয়াগনার গাড়িতে থাকা আগরতলা উষা বাজারের ঠিকাদার সুজিত সাহার অভিযোগ সম্পূর্ণ দোষ ছিল বাস গাড়িটির। বাসগাড়ীটি দ্রুত গতিতে এসে নাকি তাদের গাড়ির পেছনে ধাক্কা মারে।

