স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৯ ডিসেম্বর : ইন্ডিগোর বিমান সংস্থার জন্য গত এক ডিসেম্বর থেকে চরম ভোগান্তির শিকার সাধারণ জনগণ। গোটা দেশব্যাপী হেনস্তা শিকার যাত্রীরা। এর বাইরে নেই ত্রিপুরার যাত্রীরাও। এমবিবি বিমানবন্দর থেকেও বাতিল হচ্ছে বহু বিমান। বিমানবন্দরে গিয়ে ফিরে আসছে যাত্রীরা। মঙ্গলবার সকালের বিমানবন্দর সূত্রে খবর এদিন তিনটি বিমান বাতিল হয়েছে।
বিমান বন্দরের স্ক্রিনে জানানো হয়েছে, দুপুর ১২ টা ৫৫ মিনিটে ব্যাঙ্গালোরের ইন্ডিগো বিমান বাতিল করা হয়েছে। দুপুর ৩ টা ৪০ মিনিটের ৬ ই ৫২৫ নম্বরের শিলচরের ইন্ডিগো বিমান বাতিল করা হয়েছে। রাত আটটার সময় ৬ ই ৬১৭১ নম্বরের কলকাতার ইন্ডিগো বিমান বাতিল করা হয়েছে। বহু যাত্রীরা বিমানবন্দরগামী হয়ে ফিরে এসেছে এদিন। এদিকে দেশের উড়ান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবায় কাটছাঁট করেছে। ইন্ডিগোর উড়ানসংখ্যা পাঁচ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দিয়েছে ডিজিসিএ।ইন্ডিগো-বিপর্যয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে কেন্দ্র। দ্রুত পরিস্থিতি ঠিক করার নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় বিমান পরিবহণমন্ত্রী রামমোহন নায়ডু স্পষ্ট জানান, এই অব্যবস্থার জন্য যাঁরা দায়ী, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর নির্দেশেই চার সদস্যের কমিটি ইন্ডিগো বিপর্যয়ের তদন্ত করছে। ইন্ডিগোকে শো কজ় নোটিস জারি করা হয়।
সোমবার সেই নোটিসের জবাবও দেয় ইন্ডিগো। ন্ডিগো বিপর্যয়ের আবহে এনডিএ সাংসদদের বৈঠকে এই কড়া বার্তাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রশ্ন উঠছে, এই বার্তার মধ্যে দিয়ে কি নিজের প্রশাসনেরই সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী? অনেকের মত, এখন যাবতীয় নিয়মকানুন বানানোর দায়িত্ব তো মোদিরই প্রশাসনের উপর। ফলে দায়ও তাঁর সরকারেরই। আদতে মোদি প্রকারান্তরে বুঝিয়ে দিলেন, আইনকানুনে কোনও ভুল নেই। ভুল সেই সব আইনকানুনের প্রয়োগে হয়েছে। ঘটনাচক্রে, বর্তমানে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের দায়িত্বে যিনি, সেই রামমোহন নায়ডু এনডিএ-র শরিক দল টিডিপির সাংসদ।

