Saturday, December 3, 2022
বাড়িরাজ্যবিজেপির রাষ্ট্রীয় সংগঠন সাধারন সম্পাদক বি.এল সন্তোষ-এর উপস্থিতিতে কৌশল নির্ধারণ

বিজেপির রাষ্ট্রীয় সংগঠন সাধারন সম্পাদক বি.এল সন্তোষ-এর উপস্থিতিতে কৌশল নির্ধারণ

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২৪ সেপ্টেম্বর :  ২০২৩-এর কৌশল নির্ধারণ করতে শনিবার হাপানিয়াস্থিত একটি রিসটে চিন্তন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রদীপ প্রজ্জলন করে সূচনা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। চিন্তন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাষ্ট্রীয় সংগঠন সাধারন সম্পাদক বি.এল সন্তোষ, প্রদেশ বিজেপির প্রভারি ডাক্তার মহেশ শর্মা, বিজেপির রাষ্ট্রীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্রা, বিজেপির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সংগঠন মন্ত্রী ফণীন্দ্র নাথ শর্মা, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, উপমুখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মা সহ অন্যান্যরা। ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এইদিনের চিন্তন বৈঠক করা হয়। বৈঠকে প্রদেশ বিজেপির সকল স্তরের নেতৃত্ব, বিজেপির সকল মন্ত্রী, বিধায়ক, রাজ্যের লোকসভার দুই সাংসদ, প্রদেশ বিজেপির বিভিন্ন মোর্চার নেতৃত্বরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে মিলিত হন প্রদেশ বিজপির মুখ্য মুখপাত্র সুব্রত চক্রবর্তী।

 সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান গত দুইদিন ধরে রাজ্যে অবস্থান করছেন বিজেপির রাষ্ট্রীয় সংগঠন সাধারন সম্পাদক বি.এল সন্তোষ, প্রদেশ বিজেপির প্রভারি ডাক্তার মহেশ শর্মা, বিজেপির রাষ্ট্রীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্রা এবং আসাম ও ত্রিপুরা সংগঠন মহামন্ত্রী ফণীন্দ্র নাথ শর্মা। শুক্রবার থেকে প্রদেশ বিজেপির বেশকিছু বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পূর্ব নির্ধারিত সুচি মোতাবেক শনিবার অনুষ্ঠিত হয় চিন্তন বৈঠক। বৈঠকে কেন্দ্রীয় সকল নেতৃত্বের সাথে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, উপমুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক, রাজ্য সভার নির্বাচিত সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব, পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের সাংসদ রেবতী কুমার ত্রিপুরার উপস্থিতিতে প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্যর সভাপতিত্বে এই চিন্তন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সকল বক্তা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। বৈঠকে মূল আলোচনার বিষয় ছিল ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের সর্ব শেষ অবস্থা কি রয়েছে, কিভাবে ৬০ টি আসনের মধ্যে ৬০ টি আসনে বিজেপি প্রার্থীরা জয়ী হতে পারে সেই বিষয় গুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান সরকার রাজ্যের মানুষের প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে সফল হয়েছে সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছারাও আরও কি কি কাজ বাকি রয়েছে সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

 রাজ্যের বিরোধী দল গুলির অবস্থান নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এইদিনের বৈঠকে দলের আভ্যন্তরীণ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। যেই গুলির উপর নির্ভর করে দল আগামিদিনে ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করবে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বরা শুক্রবার অফিস বিয়ারারদের সাথে প্রথম বৈঠকে করেছেন। তারপর মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনচার্জদের সাথে পৃথক ভাবে বৈঠক করেন তারা। তারপর পর্যায়ক্রমে বিধায়ক, মন্ত্রী, জনজাতি নেতৃত্বদের সাথে বৈঠক করেছেন। তারপর শনিবার চিন্তন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সকল মন্ত্রী বিধায়করা খোলা মনে আলোচনা করেছেন। এইদিনের বৈঠক থেকে বিজেপির অবস্থান যাচাই করে নেওয়া হয়েছে। তার উপর নির্ভর করে পরবর্তী সময় যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার তা নেওয়া হবে বলে জানান প্রদেশ বিজেপির মুখ্য মুখপাত্র সুব্রত চক্রবর্তী। তিনি আশা ব্যক্ত করে বলেন ২০২৩ সালে ফের বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা হবে। সাংবাদিক সম্মেলনে সুব্রত চক্রবর্তী আরও জানান ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৬০ টি আসনের মধ্যে ৬০ আসনে বিজেপি একক ভাবে লড়াই করে যেন জয়ী হতে পারে তার জন্য এইদিনের চিন্তন বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ বিজেপির সাধারন সম্পাদক কিশোর বর্মণ।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য