Friday, October 23, 2026
বাড়ি রাজ্য দীপান্বিতার মৃত্যুর ঘটনার তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

দীপান্বিতার মৃত্যুর ঘটনার তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

দীপান্বিতার মৃত্যুর ঘটনার তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২২ নভেম্বর : প্রয়াত দীপান্বিতার পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। ঘটনার তদন্ত এবং সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী দীপান্বিতার পরিবারকে। জানা যায়, রাজধানীর যোগেন্দ্র নগর বন কুমারী এলাকার বাসিন্দা দেবাশিষ পাল। দেবাশিষ পালের মেয়ে দ্বিপানিতা পাল। বয়স ৭ বছর ৬ মাস। দ্বিপানিতা রাজধানীর ক্ষুদিরাম বসু ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। শুক্রবার দ্বিপানিতা স্কুলের এক অনুষ্ঠানে যায়। স্কুলের মাঠে প্রখর রৌদ্রের মধ্যে চলছিল বন্দে ভারত অনুষ্ঠান। বিদ্যালয়ের কচি কাচারা প্রখর রৌদ্রের মধ্যে দাঁড়ানো অবস্থায় ছিল। সেই সময় দ্বিপানিতা শারীরিক ভাবে অসুস্থতা অনুভব করে। সাথে সাথে সে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকাকে বিষয়টি জানায়। ঐ শিক্ষিকা দ্বিপানিতাকে বলে শীতের মরশুম রৌদ্রের মধ্যে দাঁড়ালে কিছু হবে না।

 এরই মধ্যে আচমকা দ্বিপানিতা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। সাথে সাথে খবর দেওয়া হয় পরিবারের লোকজনদের। পরিবারের লোকজন তাকে জিবি হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা জানায় দ্বিপানিতা সান স্ট্রোক করেছে। দ্বিপানিতার শরীরের একাংশ প্যারালাইসিস হয়ে গেছে। পরে গত মঙ্গলবার দীপান্বিতার মৃত্যু হয়। শিক্ষিকার বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে এবং এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে কঠোর শাস্তির দাবি উঠে। শনিবার দীপান্বিতা বাড়িতে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা। তিনি দীপান্বিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সম্পর্কে অবগত হন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসক ডাক্তার বিশাল কুমার এবং শিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তা এন সি শর্মা সহ অন্যান্য আধিকারিক। মুখ্যমন্ত্রীর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন দীপান্বিতার মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। দীপান্বিতা অসুস্থ থাকা অবস্থায় চিকিৎসকদের সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রাখা হয়েছে।

 চিকিৎসকদের সব রকম চেষ্টা করেও দীপান্বিতাকে বাঁচানো যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সাহায্য সহযোগিতা যাই করা হোক না কেন দীপান্বিতাকে ফিরে পাওয়া যাবে না। তারপরও এই ঘটনার তদন্তের জন্য পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসক ডাঃ বিশাল কুমার এবং শিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তা এন সি শর্মাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজ্য সরকার দীপান্বিতার পরিবারের পাশে আছে। সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদান করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসক, বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তা সহ অন্যান্য আধিকারিক।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha